সুখি দম্পতি
দাম্পত্যে সুখের চাবিকাঠি স্বামীকে নিয়ন্ত্রণ নয়, জয় করুন কৌশল ও ভালোবাসায়
সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে—পুরানো এই প্রবাদটি আজও অমূলক নয়। তবে আধুনিক যুগে 'গুণ' মানে কেবল রান্না বা ঘর গুছানো নয়, বরং বুদ্ধিমত্তার সাথে জীবনসঙ্গীর মন জয় করা। অনেক নারীই অভিযোগ করেন স্বামী তার কথা শোনেন না বা অবহেলা করেন। আসলে পুরুষকে জোর করে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব, কিন্তু সঠিক মনস্তাত্ত্বিক কৌশলে তাকে আপনার অনুগামী করে তোলা সম্ভব।
কীভাবে প্রিয় মানুষটিকে আপনার প্রতি আরও যত্নশীল ও মনোযোগী করে তুলবেন? জেনে নিন কিছু কার্যকরী টিপস:
১. কমান্ড নয়, রিকোয়েস্ট করুন
পুরুষরা সাধারণত জন্মগতভাবে কিছুটা স্বাধীনচেতা হয়। তাই তাকে "এটা করো, ওটা করো" বলে আদেশ না দিয়ে অনুরোধের সুরে বলুন। যেমন: "তুমি কি এই কাজটা একটু করে দিতে পারবে? তুমি করলে আমার খুব উপকার হতো।" দেখবেন, আপনার ছোট একটি অনুরোধে তিনি অনেক বেশি উৎসাহ পাবেন।
২. তার পছন্দের প্রশংসা করুন
মানুষ মাত্রই প্রশংসা প্রিয়। স্বামী যখন কোনো ভালো কাজ করেন বা আপনার জন্য কিছু করেন, তখন মন খুলে তার প্রশংসা করুন। তার কাজের গুরুত্ব স্বীকার করলে তিনি মানসিকভাবে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করবেন এবং ভবিষ্যতে আপনার মতামতকে বেশি প্রাধান্য দেবেন।
৩. তর্কের সময় নীরবতা পালন
যেকোনো ঝগড়ার সময় দুই পক্ষ কথা বললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যখন দেখবেন স্বামী রেগে আছেন, তখন নিজে শান্ত থাকুন। তার রাগ কমে গেলে ঠান্ডা মাথায় আপনার যুক্তি বুঝিয়ে বলুন। শান্ত মানুষের কথা পুরুষরা বেশি গুরুত্ব দিয়ে শোনে।
৪. দূরত্বের জাদু
সারাক্ষণ স্বামীর পেছনে লেগে থাকবেন না। তাকে তার মতো থাকতে দিন (Space দিন)। বন্ধুদের সাথে আড্ডা বা শখের কাজে বাধা দেবেন না। আপনি যখন তাকে স্বাধীনতা দেবেন, তখন তিনি নিজেই আপনার সান্নিধ্য মিস করবেন এবং আপনার কাছে ফিরে আসার তাগিদ অনুভব করবেন।
৫. নিজেকে ভালোবাসুন
আপনি যদি নিজের যত্ন না নেন, তবে অন্য কেউ আপনাকে মূল্যায়ন করবে না। নিজের শখ, সাজগোজ এবং স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। যখন তিনি দেখবেন আপনি আত্মবিশ্বাসী এবং সুন্দরভাবে জীবন যাপন করছেন, তখন তার আকর্ষণ ও শ্রদ্ধা আপনার প্রতি বাড়বে।
৬. পরিবারের সাথে সুসম্পর্ক
স্বামীর বাবা-মা বা ভাইবোনের সাথে আপনার সম্পর্ক ভালো থাকলে তিনি মানসিকভাবে আপনার কাছে ঋণী থাকবেন। এটি স্বামীকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
৭. বেডরুম ও ডাইনিং—দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র
ভালো খাবার মানুষের মেজাজ ফুরফুরে রাখে। তাই তার প্রিয় খাবারগুলো মাঝে মাঝে নিজ হাতে তৈরি করুন। পাশাপাশি দাম্পত্য জীবনে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখুন। শারীরিক ও মানসিক তৃপ্তি একটি পুরুষকে তার স্ত্রীর প্রতি সবচেয়ে বেশি অনুগত রাখে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গা ব্যায়ামাগারের উদ্যোগে শরীরচর্চার পাশাপাশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত
১ সপ্তাহ আগে
হবু বাবা-মায়ের প্রস্তুতি: সফল গর্ভধারণের সহজ উপায়
২ সপ্তাহ আগে
পর্দার খাতিরে ক্যামেরার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছিলেন এই ভারতীয় নায়িকারা!
১ মাস আগে