সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় আলমডাঙ্গা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আনারুল ইসলামকে সংবর্ধনা
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় আলমডাঙ্গা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আনারুল ইসলামকে সংবর্ধনা
আলমডাঙ্গা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আনারুল ইসলাম ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন । তাঁর এ সাফল্যে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে নিজের সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আনারুল ইসলাম আলমডাঙ্গা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয় চত্বরে উপস্থিত হলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস হোসেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক গৌতম কুমার পাল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, রবিউল হক, মাহমুদা আক্তার, জয়নাল আবেদীন, সোহেল আহমেদ, ইছাহক আলী, হাবিবুর রহমান, আনোয়ারুজ্জামান, আয়েশা খাতুন, হাসিনা আক্তার, আজিজুর রহমান, শাহীনা আক্তার, মানোয়ার হোসেন, শরাফত হোসেন, আবু তালেব, মেজবাহ উজ্জামান, আসাদুল হক, শাহনাজ ফেরদৌস, আতিকুর রহমান, রুলিয়া রহমান, সাইদুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, প্রতাপ কুমার অধিকারী, জাহাঙ্গীর আলমসহ শিক্ষক কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃব্দ।
পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনারুল ইসলাম তাঁর শিক্ষা ও কর্মজীবনের সাফল্যের পেছনের গল্প তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ের সঠিক ব্যবহার, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের আহ্বান জানান।
আনারুল ইসলাম বলেন, তিনি এই বিদ্যালয়েরই একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। এই বিদ্যালয়ে ফিরে এসে শিক্ষক ও ছোট ভাই-বোনদের ভালোবাসা ও সম্মান পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর জীবনের পথচলায় এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক অবদান রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন শিক্ষার্থী যদি নিজের লক্ষ্য ঠিক রেখে নিয়মিত পরিশ্রম করে, তাহলে তার পক্ষে সফলতা অর্জন করা সম্ভব। তোমরা স্বপ্ন দেখবে, সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করবে এবং কোনো বাধাকেই ভয় পাবে না।
তিনি আরও বলেন, তাঁর সাফল্য শুধু তাঁর একার নয়; এর সঙ্গে তার পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্খীদের অবদান জড়িয়ে আছে। আজকের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই আগামী দিনে অনেক ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিচারক ও বিভিন্ন পেশার সফল মানুষ তৈরি হবে এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
জানা যায়, মো. আনারুল ইসলাম ২০১৬ সালে আলমডাঙ্গা পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখা থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ২০১৮ সালে আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এরপর ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
আনারুল ইসলাম আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর নওদাপাড়া গ্রামের মৃত হারেজ আলীর ছেলে। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
পরে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ইলিয়াস হোসেন আনারুল ইসলামকে মিষ্টিমুখ করান। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাঁর সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা জানান।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় ফিরোজা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও লোকমান হোসেন প্রাইভেট হাসপাতালে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা : দুইটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
১৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব
১৩ ঘন্টা আগে
দামুড়হুদায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আ.লীগ নেতা মামুন গ্রেপ্তার
১৬ ঘন্টা আগে