আলমডাঙ্গার কেদারনগর গ্রামে নির্বাচনোত্তর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে
আলমডাঙ্গার কেদারনগর গ্রামে নির্বাচনোত্তর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার এ ঘটনা ঘটে। রাতে মীমাংসার সময় উভয়পক্ষ থানা চত্বরে আবারও উত্তেজিত হয়ে উঠে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
এলাকাসূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গার বেলগাছি ইউনিয়নের কেদারনগর গ্রামে দুটো গ্রæপের মধ্য গতকাল বুধবার নির্বাচনোত্তর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কেনারনগর গ্রামের আশরাফুলের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামীলীগের লোকজন অন্যদিকে, অপুর নেতৃত্বে স্থানীয় যুবলীগের মধ্যে ওই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর যুবলীগের লোকজন আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে আসে। এক পর্যায়ে যুবলীগের পক্ষে ড্রিল করতে আলমডাঙ্গা থানায় আসেন জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান শিলন। অপরদিকে, সংশ্লিষ্ট বেলগাছি ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চঞ্চল উপস্থিত হন। উপস্থিত ছিলেন কুমারী ইউপি চেয়ারম্যান পিন্টু। রাতে থানার অভ্যন্তরে বসে তিন চেয়ারম্যান বিবাদ মিমাংসার চেষ্টা করছিলেন। বাইরে তখন দুপক্ষের লোকজন উপস্থিত। এক পর্যায়ে বাইরে প্রতিদ্ব›দ্বী দু গ্রæপে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেই উত্তেজনা থানার অভ্যন্তরে চঞ্চল চেয়ারম্যান ও শিলন চেয়ারম্যানকেও উত্তেজিত করে তোলে। সে সময় থানা পুলিশ থানা চত্বর থেকে দুপক্ষের লোকজনকে তাড়িয়ে দেয়। পরে থানার ভেতরে তিন চেয়ারম্যান বসে উদ্ভুত পরিস্থিতির মিমাংসা করে নেন।
এব্যাপারে জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান শিলন, বেলগাছী ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান চঞ্চল ও কুমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ পিন্টু একইসুরে বলেন, একটু উত্তেজনা হয়েছিল। আমরা তিনজন বসে মিটমাট করে ফেলেছি। আর সমস্যা নাই।