১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অতি তীব্র তাপদাহ সাথে কড়া রোদ আর অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ বৃষ্টির জন্য ইস্তিস্কার নামাজ আদায়

প্রতিনিধি :
শরিফুল ইসলাম রোকন
আপডেট :
এপ্রিল ২৫, ২০২৪
72
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
| ছবি : 

অতি তীব্র তাপদাহ, সাথে কড়া রোদ আর অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গারসহ এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। তীব্র এই গরম থেকে পরিত্রাণের জন্য আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়ে আলমডাঙ্গা শহরের দারুস সালাম ঈদগাহ ময়দানে বুধবার সকাল ১০টায় ইস্তিস্কার নামাজ আদায় করেছেন এলাকাবাসী। আলমডাঙ্গার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ এই নামাজে অংশ গ্রহণ করেন। নামাজ শেষে চলমান এই তীব্র তাপদাহ থেকে বাঁচতে ও বৃষ্টির জন্য বিশেষ মুনাজাত করা হয়। কুমারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, মাওলানা অধ্যাপক আব্দুল কাদের বিশেষ এই মুনাজাত পরিচালনা করেন।


একটানা প্রায় ১৪/১৫ দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রার অঞ্চল চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা। গত বছরের মত এ বছরও চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গায় চলছে দাবদাহ। চুয়াডাঙ্গা -আলমডাঙ্গা অনলপ্রবাহের জনপদে পরিণত হয়েছে। সেই সাথে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি নেই। আলমডাঙ্গা এলাকার টিউবয়েলেও ঠিকমত পানি পাওয়া যাচ্ছে না। পানির স্থর অনেক নিচে নেমে গেছে। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। দীর্ঘ একটানা দাবদহে মানুষসহ প্রাণিকুলের ওষ্ঠাগতপ্রাণ। বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে চারদিকে। জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৫ শ ৯০ হেক্টর জমির বোরো ধানসহ ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে। এবছরের শুরু থেকেই গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রজেক্টের ইরিগেশন খালে পানি দেওয়া হয়নি। ফাঁরাক্কার ছোবলে শস্য শ্যামলা মাঠপ্রান্তর আজ বিবর্ণ। ফলে বোরো আবাদে ফলন বিপর্যয় ঘটার সমূহ শঙ্কা দেখা দিয়েছে।


নামাজে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, "একটানা ১৫/১৬ দিন প্রচÐ দাবদাহে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। সকাল ১০ টা হতে না হতেই অনলপ্রবাহ শুরু হয়ে যায়। দুপুরে অনলবর্ষণ। বাইরে বের হওয়া যায় না। দীর্ঘ অনাবৃষ্টির কারণে শুকিয়ে যাচ্ছে মাঠঘাট কৃষিজমি। তীব্র খরায় ফলস উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মানুষ।"

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram