২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের ল্যাপটপ বিক্রির অভিযোগ খাসকররা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধি :
শরিফুল ইসলাম রোকন
আপডেট :
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৩
49
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
| ছবি : 

আলমডাঙ্গার খাসকররা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম সিদ্দিকের বিরুদ্ধে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের তিনটি ল্যাপটপ গোপনে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ল্যাপটপ কিনেছেন স্থানীয় খাসকররা ক্যাম্পের তিন পুলিশ সদস্য। তবে পুলিশ ল্যাপটপের মূল্য পরিশোধ না করায় ঘটে বিপত্তি। ফলে ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।


বিদ্যালয়সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে মোট ১৭টি ল্যাপটপ রয়েছে। প্রধান শিক্ষক গোলাম সিদ্দিক ফেরৎ দেয়ার শর্তে নিজে ব্যবহার করবেন বলে ১টা, তার মেয়ের জন্য ১টা এবং বোনের মেয়ের জন্য ১টা মোট ৩টি ল্যাপটপ স্কুল থেকে নিয়ে যান। কয়েক মাস হয়ে গেলেও তিনি ল্যাপটপ তিনটি আর ফেরৎ দেননি। সম্প্রতি ফাঁস হয়ে যায় যে, ল্যাপটপ তিনটি তিনি স্থানীয় ক্যাম্পের তিন পুলিশ সদস্যের কাছে অল্প দামে বিক্রি করে দিয়েছেন।


সূত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক যে ল্যাপটপগুলি বিক্রি করছেন, সেগুলি বিদ্যালয়ের। তিনি গোপনে বিক্রি করছেন। এটা ক্রেতা পুলিশরাও জানতেন। এই সুযোগ তারাও নিয়েছিলেন। তারা ল্যাপটপের প্রতিশ্রæতি মূল্য দিচ্ছিলেন না। প্রধান শিক্ষকও প্রকাশ্যে টাকার জন্য চাপ দিতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে ল্যাপটপ কেনা এক কনস্টেবল বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যান। বেকায়দায় পড়েন প্রধান শিক্ষক। তিনি ক্যাম্পের আইসির কাছে গোপনে ঘটনা খুলে বলেন এবং এর একটা সুরাহার আবেদন জানান। এরপর এক কান থেকে দুই কান হয়ে ঘটনা এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।


বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক পাপিয়া সুলতানা জানান, "হেড স্যার ফিরিয়ে দিবেন বলে মোট তিনটি কম্পিউটার নিয়ে গেছেন। তা আজ পর্যন্ত ফেরৎ দেননি।"


ক্যাম্পের আইসি, রোকন উদ্দিন বলেন, "হেড মাস্টার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন বদলি হয়ে চলে যাওয়া এক কনস্টেবলকে ফেরত দিতে। আমি কদিন আগে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে অবস্থান করা কনস্টেবল রাকিবের কাছে ওই টাকা ফেরৎ দিয়ে এসেছি। কত টাকার লেনদেন তার সাথে এটা আমি জানি না।"


প্রধান শিক্ষক গোলাম সিদ্দিক বলেন, "সব মিটমাট হয়ে গেছে। পুলিশ ল্যাপটপ নিয়েছিল। তাদের কাছ থেকে ফেরৎ নিয়ে নিয়েছি।" এ সময় তিনি সাংবাদিকদের খাসকররা স্কুলে গিয়ে চা বিড়ি খাওয়ার দাওয়াতও দেন তিনি।


খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান তাফসির আহমেদ লাল জানান, এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর।

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram