১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নো মাস্ক নো সার্ভিস নিশ্চিতে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে

প্রতিনিধি :
শরিফুল ইসলাম রোকন
আপডেট :
নভেম্বর ১১, ২০২০
33
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
| ছবি : 

নো মাস্ক নো সার্ভিস নিশ্চিতে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিনভর শহরে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

জানা যায়, শীতের প্রারম্ভেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের ২য় ঢেউ আতঙ্ক শুরু হয়েছে। শীত পড়তে না পড়তেই  দেশে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে প্রশাসনও আগাম ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপরতা শুরু হয়েছে। বাড়ির বাইরে চলাচলরত অবস্থায় ব্যক্তিকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মনে চলতে হবে। কোনো ব্যক্তি এই আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে সংক্রমণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৬ মে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনা মতে, মাস্ক না পরে বা অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বাইরে চলাচল করলে ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদন্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে। এ ছাড়া নির্দেশনায় রাত আটটা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার ব্যাপারেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগের অন্যান্য স্থানের মত আলমডাঙ্গায়ও শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধানের ব্যাপারে সচেতন করতে মাইকিং করা হয়। শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন আলীর নেতৃত্বে শহরের সর্বত্র অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৮ জনকে জরিমানা করা হয়। আর্থিক দন্ড প্রদানকারি হাইরোডের মোল্লা ফার্মেসির মালিক সজিব হোসেনকে ১ হাজার, সোনাপট্টির মুদি দোকানী কার্ত্তিক কুমার দে-কে ২ শ, আসাননগরের পথচারি শাওনকে ৫ শ, একই গ্রামের রুমনকে ৫ শ, আলুকদিয়ার মুকুল হোসেনকে ২ শ, নাগদাহ’র রফিকুল ইসলামকে ৩ শ, গোবিন্দপুরের আবুল কালামকে ২ শ ও বোয়ালমারীর রকিবুল ইসলামকে ১ শ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা থানার এসআই তৌকির, আলমডাঙ্গা পৌর সভার লাইসেন্স পরিদর্শক আনিছুর রহমান, স্যানেটারি ইন্সেপেক্টর মাহফুজুর রহমান রানা, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক সৈয়দ বাবুল আক্তার, আবু সায়েম প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন আলী বলেন, শহরে মাস্ক পরিধান না করলে কাউকে সেবা প্রদান করা যাবে না। মাস্ক পরিধান ব্যতিত গণপরিবহণে ভ্রমণের কোন সুযোগ নেই। দোকানে কিংবা মার্কেটে মাস্ক বিহীন কেউ কেনাকেটা করতে পারবেন না। কঠোরভাবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এ ব্যাপারে শতভাগ আইন প্রয়োগে আমরা দ্ব্যর্থহীন।

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram