১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুরি ঠেকাতে ৩২টি সিসিটিভির আওতায় আসছে ঝিনাইদহের ডাকবাংলা বাজার

প্রতিনিধি :
শরিফুল ইসলাম রোকন
আপডেট :
জুলাই ২২, ২০২০
29
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
| ছবি : 


স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটেছে । এসব চুরি কিছুতেই রোধ করতে পারছে না ডাকবাংলা পুলিশসহ বাজার কমিটি। চুরির থেকে দোকান মালিকেরা রক্ষা পেতে জরুরি মিটিং করেছে ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিক সমিতি। সম্প্রতি কয়েক দিন পূর্বেও চুরি হয়েছে এ বাজারে। দুটি মুদিখানা দোকান, একটি গার্মেন্ট ও একটি ঢেউ টিনের দোকান।

চারটি দোকানের মধ্যে উত্তর নারায়নপুর ত্রিমহনীর মোল্লা ষ্টোর থেকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা, প্রায় ৪০ হাজার টাকার বিভিন্ন মোড়গের সিগারেটসহ ৩ হাজার টাকার কোমল পানি। ডাকবাংলা বাজারের নবি উদ্দিন ষ্টোর থেকে নগদ ৪ হাজার ও বিভিন্ন মোড়গের প্রায় ১০ হাজার টাকার সিগারেট। মঙ্গলবার (২১ জুলাই ) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে হাবিব ইলেকট্রনিক্সের দোকান থেকে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা।

বিসমিল্লাহ্ স্যানিটারী দোকান থেকে নগদ ২২,০০০ টাকা ও মোটর ৪ পিস যার বাজার মুল্য ৮০,০০০ টাকা এবং আলম এন্ড ব্যাদার্স তেলের দোকান থেকে নগদ ৫২ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। দোকানদারেরা প্রতিদিনের ন্যায় সকালে দোকান খোলার উদ্দেশ্য করে দোকানে এলে প্রথমেই তাদের নজরে পড়ে এই ঘটনা। ক্ষনিকের মধ্যে জানাজানি হতেই অন্যান্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষেরা তাদের দোকানে ছুটে আসেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এ ধরনের চুরি প্রতিনিয়তই হয়ে থাকে। যে দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে সেই দোকানের পাশেই রাত ভর পাহারাদার জেগে থাকেন। তারা বলেন পাহাদারদের আমরা প্রতি মাসে দোকান প্রতি মাসহারা দেয় ১০০-২০০ টাকা। তারপর ও কিভাবে এই মহামারী করোনা সংকটের মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে? এঘটনায় দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আঃ রহমান কামাল জানান, ডাকবাংলা বাজারে বার বার চুরি এটা আসলেই খুব দুঃখ জনক। চুরির ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আমার দোকান মালিক সমিতি জরুরি ভিত্তিতে মিটিং ডেকে কিভাবে এই চুরি থেকে বাঁচা যায় সেটা আলোচনা করে সমিতির সকল সদস্যদের সম্মতি ক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পুরো বাজার খুব দ্রুত ৩২টি সিসিটিভির আওতায় আনা হবে। বাজারে মোট পাহারাদার ৫ জন এবং তাদের সাথে আরও ৫ জন করে ক্রমাগত ভাবে দোকান মালিক সমিতির সদস্যগন ও ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্প সহযোগিতা করবেন। দোকানে কোন প্রকার টাকা পয়সা রাখা যাবে না। দোকান বন্ধ করার পূর্বে দোকানের সামনে একটা বৈদ্যুতিক বাল্প জালাতে হবে। পাহারাদার থাকবেন রাত ১০ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত।

তাহলেই হইতবা আমাদের দোকান মালিকেরা একটু স্বস্তিতে থাকতে পারবেন। এবিষয়ে ডাকবাংলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজিব শেখ জানান, ডাকবাংলা বাজার দোকান মালিকদের সহযোগিতায় খুব দ্রুত সিসিটিভির আওতায় আনা হচ্ছে। যদিও বা ডাকবাংলা বাজার অনেক বড় একটি বাজার এখানে ৫ জন পাহারাদার তাদের সাথে এখন থেকে দোকান মালিক সমিতির ৫ জন করে সদস্য পালাক্রমে থাকবেন রাত ১০ টা হতে সকাল ৬ টা পর্যন্ত সাথে প্রতিদিন সহযোগিতা করবেন ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্প। এব্যাপারে ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মোকলেছুর রহমান বলেন, আসলে দোকান চুরির বিষয়টি দুঃখজনক। মঙ্গলবার বিকালে দোকান মালিক সমিতি জরুরি মিটিং ডেকেছিল। সিদ্ধান্ত হয়েছে বাজার সিসিটিভির আওতায় আনবে,পাহারাদারদের তারা সহযোগিতা করবে। আর চোর চক্র যারাই হোক না কেন তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবো।

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram