আলমডাঙ্গার খেজুরতলা যুব সমাজের আয়োজনে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দাড়িয়াবান্ধা/গাদন খেলা অনুষ্ঠিত
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
খেলাধুলা | আলমডাঙ্গার খেজুরতলা যুব সমাজের আয়োজনে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দাড়িয়াবান্ধা/গাদন খেলা অনুষ্ঠিত
আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, ঠিক তখনই হারানো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার খেজুরতলা দক্ষিণপাড়ার যুবসমাজ। গ্রামবাংলার জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী দাড়িয়াবান্ধা বা গাদন খেলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করা এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১৬ দলের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় এ প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) খেজুরতলা বাজারসংলগ্ন বাঁশবাগানের মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলায় খেজুরতলা জামাল সীডের উজ্জ্বল হোসেনের দল ৪-১ গাদনে পারদুর্গাপুরের সলেমসানের দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি ছাগল এবং রানার্সআপ দলকে একটি ভেড়া দেওয়া হয়। খেলা পরিচালনা করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হক একদুল মেম্বার। ধারাবিবরণী প্রদান করেন হেলাল উদ্দিন।
একসময় গ্রামবাংলার মাঠে-ময়দানে এ ধরনের খেলাকে ঘিরে সৃষ্টি হতো উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠত গ্রামের খেলার মাঠ। এসব খেলা শুধু বিনোদনের মাধ্যমই ছিল না, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির সভাপতি ইমদাদুল হক একদুল মেম্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়ালুজ্জামান রাসেল, যুবদল নেতা জুয়েল, বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাইনুল ইসলাম সিয়াম। নাগদাহ ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক হাসান আলী উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মহাবুল, ইউনুস, ঠান্ডু, ইউপি সদস্য রফি উদ্দিন মেম্বার, ডা. ওহিমদ্দিন, শাহিন মেম্বার, প্রবাসী হারুনসহ খেজুরতলা দক্ষিণপাড়ার যুবসমাজের সদস্যরা।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার চর্চা কমে যাওয়ায় বর্তমান তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ মোবাইল ফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ মাদকের ঝুঁকিতেও জড়িয়ে পড়ছে। নিয়মিত এ ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করা গেলে তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য তুলে ধরা সম্ভব হবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
এআইইউবিকে হারিয়ে ট্রফি জিতলো ড্যাফোডিল
৩২ মিনিট আগে
আলমডাঙ্গায় মাদকসহ ও মাদক মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার : একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড
১ ঘন্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
৯ ঘন্টা আগে