আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়া গ্রামের আলোচিত শিমুল কাজী হত্যা মামলায় পিতা-পুত্র গ্রেফতার
আটক আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়া গ্রামের আলোচিত শিমুল কাজী হত্যা মামলায় পিতা-পুত্র গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আলোচিত শিমুল কাজী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি পিতা-পুত্রকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিবাগত রাতে পৃথক অভিযানে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জলিবিলা শাহাপুর এলাকা থেকে ইসলাম আলীকে এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার জাহাপুর ঘোষপাড়া এলাকা থেকে হাসানকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ছত্রপাড়া গ্রামের মৃত বদর উদ্দিনের ছেলে ইসলাম আলী(৩৯) শিমুল কাজী হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৩ নং আসামী ও ইসলাম আলীর ছেলে হাসানুর রহমান@হাসান(২০) হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১৪ নং আসামী। ঘটনার দিন থেকে ইসলাম আলী ও হাসানুর রহমান বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। ইসলামী আলী ছিলেন তার এক আত্মীয় বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার জলিবিলা শাহাপুর এলাকায় ও হাসানুর রহমান হাসান ছিলেন উপজেলার জাহাপুর ঘোষপাড়ায়। জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাঈল সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স ও জেলা গোয়েন্দা শাখা(ডিবি) পুলিশের টিম নিয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের পিতা পুত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামে ফেসবুকে দেওয়া একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ঈদুল ফিতরের দিন দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিমুল হোসেন কাজী (২০) নামে এক যুবক নিহত হন। একই ঘটনায় সংঘর্ষের খবর শুনে তার দাদা নাজিম উদ্দিন কাজী (৭০) স্ট্রোকে মারা যান বলে পরিবারের দাবি।
নিহত শিমুল কাজী একই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে এবং নাজিম উদ্দিন কাজী তার দাদা। সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন এবং বাড়িঘর ও দোকানপাটে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় একই গ্রামের হৃদয় হোসেনের দেওয়া একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিরোধ সৃষ্টি হলে ঈদের দিন দুপুরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে বিভিন্ন পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে শিমুল গুরুতর আহত হন এবং কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত শিমুলের চাচা মহিবুল হাসান বাদী হয়ে লাল খাঁ ও জাহাঙ্গীরসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে এ মামলায় আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ছত্রপাড়া গ্রামের এ বিরোধের পেছনে দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব রয়েছে, যা সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক রূপ নিয়ে একাধিকবার সহিংসতায় রূপ নিয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
মহান স্বাধীনতা দিবসে আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
৫ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালিত
৫ ঘন্টা আগে
আমরা আখের গোছাতে এমপি হইনি: আমরা জনগনের সেবক - আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়ায় এমপি রুহুল আমিন
৫ ঘন্টা আগে