সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
ঝিনাইদহে দৈনিক রানার পত্রিকার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন | সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতার আহ্বান
ঝিনাইদহ শহরে দৈনিক রানার পত্রিকার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় এক আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতার দায়িত্বশীলতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দৈনিক রানার পত্রিকার ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি বসির আহম্মেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন। তিনি তার বক্তব্যে গণমানুষের অধিকার ও প্রত্যাশা তুলে ধরতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও এটিএন বাংলার প্রতিনিধি নিজাম জোরদার বাবলু, একুশে টেলিভিশনের এম রায়হান, দৈনিক দেশ রূপান্তরের জেলা প্রতিনিধি এম রবিউল ইসলাম রবি, এসএ টিভির ফয়সল আহমেদ, চ্যানেল ২৪-এর সাদ্দাম হোসেন, সদর থানার ওসি (তদন্ত) ব্রজেন কুমারসহ অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আলোচনা সভায় বক্তারা গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংবাদপত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততা, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা অপরিহার্য।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সমাজের সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, উন্নয়ন এবং জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সাথে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের অবদান রাখা উচিত।
বক্তাদের মতে, দীর্ঘ ৪৬ বছরের পথচলায় দৈনিক রানার পত্রিকা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এলাকার সমস্যা-সম্ভাবনা তুলে ধরে পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভা শেষে দৈনিক রানার পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে কেক কাটা হয়।