সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তিতে চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ | বিচার ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক ব্যানার নিয়ে সংগঠনটি গতকাল সোমবার বিকেলে গণভোটের রায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
জানা গেছে, গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটায় জেলা শহরের টাউন ফুটবল মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই সনদ কার্যকর এবং গণভোটের রায় কার্যকরের জোর দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মহসিন ইমদাদুল্লাহ জামেন বলেন, “যদি ৩৬ জুলাই এই বাংলার জমিনে না হতো, তাহলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। এই জুলাইয়ের ফলেই খালেদা জিয়ার জানাজা এই দেশে হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের চামড়া তুলতে গিয়ে তাদের দিল্লিতে পালাতে হয়েছে।” তিনি বিএনপি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, “জামায়াত-ছাত্রশিবিরকে তাড়াতে গিয়ে আপনাদের এই দেশ থেকে বিদায়ের ঘণ্টা যেন বাজাতে না হয়। তাই এখনি বিএনপি সরকারকে আহ্বান করছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় কার্যকর করুন।”
জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নেরও দাবি জানাছি।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “জুলাইকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে আবারও একটা জুলাই হবে এই দেশে। বর্তমান সরকার স্বৈরাশাসনের পথে হাঁটছে। তারা ফ্যাসিস্ট হতে চায়। এই দেশে আর কোনো ফ্যাসিস্ট দলের জায়গা নেই। জনগণের রায় বাস্তবায়ন করুন, তা না হলে আপনারাও ওই পলাতক স্বৈরাশাসক দল আওয়ামী লীগের মতো অবস্থায় পড়বেন। তাই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানাছি।”
সংগঠনের সেক্রেটারি মাসুম বিল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যে সকল ভাইদের হত্যা করা হয়েছে, সেই সব হত্যাকারীদের এখনো বিচার কার্যকর হয়নি। জুলাই আন্দোলনের দুই বছর হয়ে গেল। অথচ এই বর্তমান সরকার জুলাই হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে পারেনি। আর কোনো হেলাফেলা চলবে না। খুব দ্রুত বিচার চাই।”
মিছিল ও সমাবেশে জেলা, উপজেলা, পৌর এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইসলামী ছাত্রশিবির ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় কুমারী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদুল ইসলামের পক্ষে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
২ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় মাদক মামলার পলাতক আসামি লিজা এবং ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার
২ ঘন্টা আগে
দামুড়হুদায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আদিল গ্রেফতার
৪ ঘন্টা আগে