আলমডাঙ্গায় প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের আওতায় খামারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
আলমডাঙ্গায় প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের আওতায় খামারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
আলমডাঙ্গায় প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের আওতায় “উন্নত জাতের ঘাস চাষ কৌশল, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং গবাদিপ্রাণির খাদ্য ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক দুই দিনব্যাপী খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ ও ৮ মার্চ শনিবার ও রবিবার আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী খামারিদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এসএম মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. গোলাম হায়দার। তিনি বলেন, গাভী পালন, দুধ উৎপাদন ও দুধ সংরক্ষণে আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে খামারিরা অধিক লাভবান হতে পারবেন। একইসঙ্গে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ ও হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে ডিম ও মাংস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা ও আমিষের ঘাটতি পূরণে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এজন্য গবাদিপ্রাণির সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ জরুরি। খামারিদের নিজস্ব ঘাসের জমি তৈরি করে নিয়মিত ঘাস চাষ ও সবুজ ঘাস সংরক্ষণের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। এতে কম খরচে গবাদিপ্রাণির পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এসএম মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। গ্রামীণ পর্যায়ে গাভী পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন এবং ডিম ও দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে অনেক খামারি স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা সঠিকভাবে গবাদিপ্রাণি পালন করতে পারেন। একই সঙ্গে গবাদিপ্রাণির জন্য পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে উন্নত জাতের ঘাস চাষ বাড়াতে হবে। এজন্য খামারিদের নিজস্ব জমিতে ঘাসের আবাদ করা, নিয়মিত ঘাস লাগানো এবং সবুজ ঘাস সংরক্ষণের প্রযুক্তি ব্যবহার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের মানুষের আমিষ ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় উপজেলা ও পৌর জামায়াতের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
১৭ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক নিহত: সংঘর্ষের খবর শুনে স্টোক করে বৃদ্ধের মৃত্যু
৩ দিন আগে
আলমডাঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী দারুস সালাম
৪ দিন আগে