আলমডাঙ্গায় নির্বাচনী সহিংসতা: জামায়াত কর্মী মিনারুলের হাতের রগ ও আঙুলের নার্ভ কর্তন
জাতীয় নির্বাচন আলমডাঙ্গায় নির্বাচনী সহিংসতা: জামায়াত কর্মী মিনারুলের হাতের রগ ও আঙুলের নার্ভ কর্তন
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় মিনারুল ইসলাম (৪৫) নামের এক জামায়াত কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ভাংবাড়িয়া ঈদগাহ বাজারের একটি চায়ের দোকানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মিনারুল ইসলাম উপজেলার ভাংবাড়িয়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মিনারুল স্থানীয় রেজাউলের চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির বদর, মজিবুল, মিনারুল ও সেলিমসহ ৮-১০ জন নেতা-কর্মী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় মিনারুলের মাথা ও বাম হাতের কব্জির রগ কেটে যায়। আহত মিনারুল জানান, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে, যার ফলে তার বাম হাতের আঙুলের নার্ভও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আহত অবস্থায় মিনারুলকে উদ্ধার করে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলা জামায়াতের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি কাইয়ূম উদ্দিন হিরোক বলেন,
"শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চা খাওয়ার সময় আমাদের কর্মীর ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করেছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।"
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, "ভাংবাড়িয়া বাজারে হামলার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি জলির বাড়িতে জামায়াতের মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ
৮ ঘন্টা আগে
তিন দশক পর ঘরের ছেলেকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত উপজেলাবাসী
১৫ ঘন্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের ফলাফল লাইভ দেখুন।
১ দিন আগে