লগইন করুন
সোশ্যাল মিডিয়া

© 2026 Samprotikee
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

শবে বরাত মুক্তির রাত - মাওলানা ইমদাদুল হক
বড় করে দেখুন
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১০:০৫ দুপুর ১৫১ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:

ধর্ম
শবে বরাত মুক্তির রাত - মাওলানা ইমদাদুল হক

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান 'শবেবরাত' শব্দের ভুক্তিতে লিখেছে, হিজরি পঞ্জিকার শাবান মাসের ১৪ তারিখের রাত, ইসলাম ধর্মমতে যে রাতে আল্লাহ সকল প্রাণীর ভাগ্য নির্ধারণ করেন, ভাগ্যরজনি।


কিন্তু একথা সঠিক নয়। শবে বরাত যার আরবি হচ্ছে লাইলাতুল বারাআত— শব বা লাইল অর্থ রাত আর বারাআত শব্দের অর্থ মুক্তি। অর্থাৎ শবে বরাত হচ্ছে মুক্তির রাত। আর ইসলাম ধর্মমতে ভাগ্যরজনি হচ্ছে শবে কদর। যা সুরা দুখানের ৩ ও ৪ নম্বর আয়াতে আলোচিত হয়েছে।


কুরআন কারিমে শবে বরাত বিষয়ক কোনো আলোচনা নেই। এ মর্মের একটি হদিস ৮/৯ জন সাহাবি (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, যা সনদের সম্মিলিত শক্তিতে গ্রহণযোগ্যতার মানে উত্তীর্ণ, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে বিশেষভাবে নজর দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন (সুনান ইবন মাজাহ,হাদিস: ১৩৯০; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস: ৬৬৪২)।


এ রাতে যেহেতু মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে ক্ষমা করেন বা গোনাহ থেকে মুক্তি দেন তাই এ রাতকে শবে বরাত বা মুক্তির রজনি বলা হয়। তবে কোনো হাদিসে এ পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়নি। উল্লিখিত হাদিসে আমরা দেখেছি, এ রাতকে লাইলাতুল নিসফি মিন শাবান বা মধ্য শাবানের রাত বলা হয়েছে।


হাদিসটিতে জীবনব্যাপী দুটি বিষয় বর্জনের মাধ্যমে এই রাতের সাধারণ ক্ষমা লাভের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে— তা হচ্ছে শিরক ও হিংসা। বিষয় দুটি অন্তকরণের সাথে সম্পৃক্ত। আর মহান আল্লাহর নিকট দেহ ও কর্মের পারিপাট্যের চেয়ে আত্মশুদ্ধির মূল্য অনেক বেশি (আলকুরআন: ২২/৩৭; সহিহ মুসলিম-২৫৬৪)। সুতরাং হাদিসটির মৌলিক শিক্ষা হচ্ছে আত্মশুদ্ধি বা অন্তরের পবিত্রতার।


মহান আল্লাহ মানুষের সমগ্র জীবনের কল্যাণ ও সফলতা চান। আর এ কল্যাণ ও সফলতা লাভের জন্য আমাদের দুই ধরনের অধিকারের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। একটি স্রষ্টার অধিকার, অন্যটি সৃষ্টির অধিকার। আমরা খেয়াল করলে দেখব, আল্লাহর দেওয়া শরিয়ত ইসলামের সকল বিধিবিধান মূলত এদুটি অধিকার কেন্দ্রিক।


মানুষের বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও অন্তরের ধারণা তার কর্মকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং স্রষ্টার অধিকার যথাযথভাবে আদায় করতে হলে তাঁর ব্যাপারে অন্তর থাকতে হবে স্বচ্ছ, পরিস্কার; দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে ইতিবাচক। কিন্তু শিরক হচ্ছে স্রষ্টার ব্যাপারে সৃষ্টির অন্তরের নেতিবাচক ও পঙ্কযুক্ত সর্বনিকৃষ্ট ধারণার নাম।


সৃষ্টির অধিকার আদায়ের জন্যও চাই তার ব্যাপারে অন্তরে ইতিবাচক ধারণার উপস্থিতি। কিন্তু হিংসা-বিদ্বেষ, ঘৃণা-শত্রুতা সৃষ্টির প্রতি এমন চূড়ান্ত অবজ্ঞার নাম যা অধিকার আদায় দূরে থাক, অধিকার নষ্ট করতেই সর্বতভাবে প্ররোচিত করতে থাকে।


সুতরাং শিরক ও হিংসা-পঙ্কিল হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি স্রষ্টা ও সৃষ্টির অধিকার সচেতন থেকে কল্যাণ ও সফলতার পথে এগিয়ে যেতে পারে না। বরং সে তখন তার বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মের মাধ্যমে সৃষ্টি ও স্রষ্টার অধিকার নষ্ট করে এমনভাবে অধপতনের দিকে যেতে থাকে যে, অপার দয়া ও ক্ষমার আধার মহান স্রষ্টার কাছ থেকে ক্ষমা পাবারও অযোগ্য করে তোলে নিজেকে।


উল্লিখিত হাদিসের মতো আরেকটি হাদীসে নবীজি (সা.) এই একই কথা বলেছেন, প্রতি সপ্তাহে দুইবার— সোম ও বৃহস্পতিবার মানুষের আমল (আল্লাহর দরবারে) পেশ করা হয়। মহান আল্লাহ সেদিন এমন সবাইকে ক্ষমা করে দেন যারা তাঁর সঙ্গে শরিক করে না। তবে ওই দুই ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না, যারা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করে। (তাদের সম্পর্কে) বলা হয়, পরস্পর মিলে যাওয়া পর্যন্ত এদেরকে মওকুফ রাখো; পরস্পর মিলে যাওয়া পর্যন্ত এদেরকে মওকুফ রাখো। (সহিহ মুসলিম-২৫৬৫)।


এ হাদিসেও আমরা দেখছি, মহান আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার জন্য শিরক ও হিংসা থেকে অন্তরকে পবিত্র রাখতে হবে। সুতরাং মহান আল্লাহর ক্ষমা লাভের জন্য অন্তরকে ন্যূনতম যে পঙ্ক ও কলুষ থেকে পবিত্র রাখা দরকার তা হচ্ছে শিরক ও বিদ্বেষ। এ দুটি অপরাধের প্রকৃতি, পরিণতি ও ভয়াবহতা নিয়ে কুরআন ও হাদিসে বিভিন্নভাবে আলোচনা এসেছে।


মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই দুর্বল। জীবন চলার পথে তার ভুল ও পদস্খলনের শিকার হওয়াই স্বাভাবিক। কিস্তু তার স্রষ্টা মহান প্রতিপালক সর্বশক্তিমান, দয়া ও ক্ষমার আধার, সর্বত কল্যাণকামী। পদস্খলনের শিকার মানুষ তাই যখন অনুতপ্ত হৃদয় নিয়ে আপন রবের নিকট ফিরে আসে, প্রার্থনায় কাতর হয়, তিনি আনন্দিত চিত্তে ক্ষমা করেন, শুধু ক্ষমা করে পাপ মুছে দেন তা-ই নয়; বরং পাপকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দেন। কিন্তু শিরক ও হিংসায় লিপ্ত ব্যক্তির ক্ষমা হয় না। কেবল যে ক্ষমা হয় না তাই নয়, বরং তার পূর্বের সকল অর্জন ও নেক আমলও বাতিল হয়ে যায়।


নবী-রাসূলগণ মহান আল্লাহর মনোনীত ব্যক্তিবর্গ। মহান আল্লাহ নবী মুহাম্মাদ (সা.)-কে সম্বোধন করে বলেছেন, তোমার প্রতি আর তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়েছে, যদি শিরক কর তোমার কর্মফল বাতিল হয়ে যাবে আর অবশ্যই তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত (আলকুরআন: ৩৯/৬৫-৬৬)।


ঈমানের অপরিহার্য অঙ্গ হচ্ছে তাওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদ। শিরক এই একত্ববাদের বিপরীত। তাই শিরকের উপস্থিতিতে ঈমান বাতিল হয়ে যায়। আর হিংসাও তাই। হিংসা ও ঈমান পরস্পরবিরোধী। একের উপস্থিতিতে অন্যের অনুপস্থিতি আবশ্যক করে তোলে।নবীজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেন, কোনো বান্দার অন্তরে ঈমান ও হিংসা একত্র হয় না (সুনান নাসায়ি-৩১০৯)।


অন্য হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, পূর্ববর্তী ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর ব্যাধি— হিংসা ও বিদ্বেষ তোমাদের মাঝেও সঞ্চারিত হয়েছে। এই ব্যাধি মুণ্ডন করে দেয়। আমি বলি না যে তা চুল মুণ্ডন করে, বরং দীন মুণ্ডন করে দেয়। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, মুমিন না হলে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর একে অপরকে ভালো না বাসলে তোমরা মুমিন হতে পারবে না (সুনান তিরমিযি-২৫১০ ও মুসনাদ আহমাদ-১৪১২)।


বিশুদ্ধ ঈমানের বৈপরীত্যের ক্ষেত্রে শিরক ও হিংসা যেমন সমগোত্রীয়, নেকি ও আমল ধ্বংসের ক্ষেত্রেও একই রকম। হাদিস শরিফে এসেছে, আগুন যেমন শুকনো কাঠকে নিঃশেষ করে দেয়, হিংসা তেমনি অন্যান্য নেক কর্মগুলোকে পর্যন্ত ধ্বংস করে ফেলে (সুনান আবু দাউদ-৪৯০৩)। মুশরিকের মতো হিংসুকের তাই ক্ষমা হয় না, তার কোনো অর্জন থাকে না।


সুতরাং আমরা যদি শিরক ও হিংসা থেকে হৃদয়কে পবিত্র রেখে স্রষ্টা ও সৃষ্টির হকের ব্যাপারে সচেতন থাকতে পারি, তাহলেই আমরা আমাদের রবের দয়া ও ক্ষমার ধারায় প্রতিনিয়ত সিক্ত হতে থাকব— অন্তরকে শুধু শিরক ও হিংসামুক্ত রাখার মাধ্যমেই। মুআয ইবন জাবাল (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) আমাকে সম্বোধন করে বললেন, হে মুআজ, তুমি জান কি, বান্দার ওপর আল্লাহর কী অধিকার আর আল্লাহর নিকট কী অধিকার বান্দার? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই অধিকজ্ঞাত। নবীজি (সা.) বললেন, বান্দার ওপর আল্লাহর অধিকার হচ্ছে, সে তাঁর ইবাদত করবে, শিরক করবে না। আর আল্লাহর নিকট বান্দার অধিকার হচ্ছে, যে শিরক করবে না তিনি তাকে শাস্তি দেবেন না (সহিহ বুখারি-২৮৫৬; সহিহ মুসলিম-৩০)।


ইরশাদ হয়েছে, আর যে ব্যক্তি তাওহিদে বিশ্বাসী, নিজের ওপর করেনি শিরকের অত্যাচার তার জন্য রয়েছে নিরাপত্তা আর সে তো সফলতার মহাসড়কের পথিক (আলকুরআন: ৬/৮২; সহিহ বুখারি-৩৪২৯)।


তেমনই নবীজি (সা.) আনাস ইবন মালেক (রা.)-কে বলেছেন, বেটা, যদি এমনভাবে দিন অতিবাহিত করতে পার যে, তোমার হৃদয়ে কারো প্রতি বিদ্বেষ নেই, তাহলে এভাবেই থাকো। বেটা, এটি আমার সুন্নাত। আর যে আমার সুন্নাতকে যিন্দা করে সে আমাকে ভালোবাসে। যে আমাকে ভালোবাসে সে আমার সঙ্গে জান্নাতে থাকবে (সুনান তিরমিযি-২৬৭৮)।


মহান আল্লাহর দয়া ও ক্ষমা উপলক্ষ খোঁজে। কখনো বিশেষ সময়ে অগ্রবর্তী হয়ে আমাদের দ্বারে এসে কড়া নাড়ে। আমাদেরকে সে জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। হৃদয়পাত্রকে উপযুক্ত রাখতে হবে সে দান গ্রহণের। উপরের আলোচনা থেকে আমরা জেনে গেছি, আল্লাহর দান শিরক ও হিংসা-পঙ্কিল হৃদয়কে উপযুক্ত পাত্র মনে করে না। আর হৃদয়পাত্রকে এই শিরক ও হিংসার পঙ্ক থেকে মুক্ত রাখলে আল্লাহর ক্ষমা নিজে এসে মুছে দিয়ে যাবে সকল মলিনতা— সপ্তাহে দুইবার, বার্ষিক শবে বরাতে। এভাবে বারবার।


তাই হাদিস শরিফের দিকে গভীরভাবে দৃষ্টি দিলে আমরা দেখতে পাব, শবে বরাত বা মধ্য শাবানের রাত কেবল সাময়িক কোনো উৎসবী আয়োজনের উপলক্ষ হয়ে আসে না, বরং জীবন-জোড়া শুদ্ধতার শিক্ষাই দিতে আসে— অন্তরকে শিরক ও হিংসা থেকে পবিত্রতা ও পরিশুদ্ধতার।


যেহেতু শিরকমুক্ত অন্তর স্রষ্টার অধিকার এবং হিংসামুক্ত হৃদয় সৃষ্টির অধিকার আদায়ে সর্বত সচেষ্ট থাকে, তাই আমরা যদি শবে বরাতের শিক্ষার আলোকে অন্তরকে শিরক ও হিংসা থেকে মুক্ত রাখতে পারি তবে আমরা যেমন মহান আল্লাহর ক্ষমার ধারায় সিক্ত হব, তেমনি আমাদের জীবন হবে পবিত্র, উন্নত এবং মহিমান্বিত।


লেখক: মুহতামিম, দারুস সুন্নাহ একাডেমি, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

মন্তব্য ()

মন্তব্য করতে লগইন করুন

লগইন করুন

সর্বশেষ সংবাদ

আলমডাঙ্গায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতিকের নির্বাচনী পথ সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় নির্বাচন | আলমডাঙ্গায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতিকের নির্বাচনী পথ সভা অনুষ্ঠিত

১৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় মরহুম মাছ ব্যবসায়ী রনি আলীর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় মরহুম মাছ ব্যবসায়ী রনি আলীর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৩ ঘন্টা আগে
সাতক্ষীরা সদর থানার সফল অ‌ভিযান :  দেশীয় পিস্তল উদ্ধার

অস্ত্র উদ্ধার | সাতক্ষীরা সদর থানার সফল অ‌ভিযান : দেশীয় পিস্তল উদ্ধার

১ দিন আগে
শবে বরাত মুক্তির রাত - মাওলানা ইমদাদুল হক

শবে বরাত মুক্তির রাত - মাওলানা ইমদাদুল হক

১ দিন আগে
আলমডাঙ্গার খোরদ গ্রামে ৫টি ধাতব মূর্তি উদ্ধার: গুপ্তধন নয়, মিলল তামার অস্তিত্ব

গুপ্তধন উদ্ধার | আলমডাঙ্গার খোরদ গ্রামে ৫টি ধাতব মূর্তি উদ্ধার: গুপ্তধন নয়, মিলল তামার অস্তিত্ব

২ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শরীফুজ্জামান  মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনোই অস্বীকার করা যায় না

জাতীয় নির্বাচন | আলমডাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শরীফুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনোই অস্বীকার করা যায় না

২ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক জলাভূমি দিবস পালিত

আলমডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক জলাভূমি দিবস পালিত

২ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী মেলা-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

কৃষি | আলমডাঙ্গায় কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী মেলা-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

২ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় ১ কেজি গাঁজা, মাদক বিক্রয়ের নগদ  টাকা ও পাখি ভ্যানসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আলমডাঙ্গায় ১ কেজি গাঁজা, মাদক বিক্রয়ের নগদ টাকা ও পাখি ভ্যানসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

২ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় উদ্ভাস সাহিত্য সংস্থা'র পক্ষ থেকে সাহিত্যিক মাফরুহা আলমকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা সনদ প্রদান

আলমডাঙ্গায় উদ্ভাস সাহিত্য সংস্থা'র পক্ষ থেকে সাহিত্যিক মাফরুহা আলমকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা সনদ প্রদান

৩ দিন আগে

নোটিফিকেশন চালু করুন

সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো সবার আগে পেতে নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন।