সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, হামিদ পারভেজ ও সাঈদ হোসেনের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলা শাখার ১১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়াকে আহ্বায়ক এবং মোঃ সাঈদ হোসেনকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঝিনাইদহ জেলা শাখার এনসিপি আহ্বায়ক কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোঃ আলাউদ্দিন জোয়ার্দার লাড্ডু, সদস্য সচিব আরেফিন কায়সার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এই কমিটি আগামী ছয় মাসের জন্য কার্যকর থাকবে এবং একই পত্রে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে জেলা দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন: সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মোঃ রুবেল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদ ও রাশেদ খাঁন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মহিবুল হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও মোঃ মিজানুর রহমান। এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ তরিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ এনামুল হক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ মুক্তার আলী দায়িত্ব পেয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করা এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে দলের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই নতুন নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই কমিটি অনুমোদন উপলক্ষে জেলা এনসিপির সদস্য সচিব আরেফিন কায়সার এক বিবৃতিতে বলেন, "হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী, বেগবান ও জনমুখী করতে এই আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া ও মোঃ সাঈদ হোসেনের নেতৃত্বে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ও জনকল্যাণমূলক কাজগুলো নতুন গতি লাভ করবে।
নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে নবনিযুক্ত আহ্বায়ক হামিদ পারভেজ মিয়া বলেন, "পদ কেবল অহংকার প্রদর্শনের বিষয় নয়; এটি প্রকৃতপক্ষে জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রতীক। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হরিণাকুণ্ডুর মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার মূল ব্রত ও লক্ষ্য।" তিনি আরও যোগ করেন, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা, প্রত্যাশা ও অধিকার বাস্তবায়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করব।