লগইন
আলমডাঙ্গায় ঘর থেকে মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার: পুলিশ হেফাজতে ছেলে ও স্ত্রী
বড় করে দেখুন
সাম্প্রতিকী ডেক্স আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ১২:০০ রাত ১০৫ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:

সংবাদ শুনুন

প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন

চুয়াডাঙ্গা
আলমডাঙ্গায় ঘর থেকে মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার: পুলিশ হেফাজতে ছেলে ও স্ত্রী

আলমডাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক নৌ বাহিনির সদস্য আব্দুস সোবহানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ থেকে দূর্গন্ধ ছড়ালে শনিবার দুপুরে প্রতিবেশিরা থানা পুলিশকে খবর দেন। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আলমডাঙ্গা দারুস সালাম কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী ও ছেলে শিশিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে এ সংবাদ লেখা অবধি নির্মম হত্যাকান্ডের ব্যাপারে মামলা দায়ের করা হয়নি।

মৃত আব্দুস সোবহান(৭৬) আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার থানাপাড়ার প্রয়াত রহমতুল্লাহ মাস্টারের ছেলে।


চুয়াডাঙ্গা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান লালন জানান, শনিবার দুপুরে আব্দুস সোবহানের বসত ঘর থেকে দুর্ঘন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কয়েক দিন আগে তার মৃত্যু হতে পারে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।


পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী ও ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তবে এখনও কোন মামলা হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সোবহানের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে স্ত্রী সন্তানদের কলহ চলছিল। ছেলে শিশির সম্পর্কে এলাকাবাসী নানা নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তিন দিন আগে রাতে বাবা ও ছেলের মধ্যে ঝগড়া হয় । সে রাতে ছেলে শিশির বৃদ্ধ বাবার গলাটিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অপচেষ্টা করেন। ঘরের ওয়ালে মাথাও ঠুকে দিতে পারেন। প্রতিবেশিরা জানতে পারলেও ভয়ে কেউ যায়নি। তারপর নিজের রুমের (দোতলায়) দরজার সিটকিনি আটকে শুয়ে পড়েন। ঘরের নীচ তলায় ছেলে শিশির ও স্ত্রী থাকতেন। গত তিন দিনেও স্ত্রী কিংবা ছেলে হতভাগা বৃদ্ধের খোঁজ নেননি। খেতেও দেননি। এমতাবস্থায় গুরুতর আহত বৃদ্ধ কোন এক সময় মারা যান। এক পর্যায়ে গতকাল রুম থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশিরা দরজা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করেন।


বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সোবহানের দুই কন্যা ও এক পুত্র রয়েছে। দুই কন্যাই বিবাহিত ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। একমাত্র ছেলে শিশির সকলের ছোট। সকলের আদর ও আস্কারায় শিশির অমানুষ বনে যায়। অল্প বয়সেই তিনি বেপরোয়া জীবন যাপন করতেন বলে অনেকেই অভিযোগ তোলেন।


আব্দুস সোবহান অত্যন্ত মার্জিত ভদ্রলোক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার এমন নির্মম মৃত্যু কেউ স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছেনা।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে লগইন করুন

লগইন করুন

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশে একাধিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

৩ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশে একাধিক ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

বাবার সাথে হাটযাত্রা

৪ ঘন্টা আগে
বাবার সাথে হাটযাত্রা

পদ্মার চরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাকন ও কালু বাহিনীর গোলাগুলি, শতাধিক ফায়ারের দাবি

৪ ঘন্টা আগে
পদ্মার চরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাকন ও কালু বাহিনীর গোলাগুলি, শতাধিক ফায়ারের দাবি

আলমডাঙ্গায় এসএসসি টেস্টের ইংরেজি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কোচিং পরিচালকসহ আটক ২ : মুচলেকায় মুক্তি

৪ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় এসএসসি টেস্টের ইংরেজি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কোচিং পরিচালকসহ আটক ২ : মুচলেকায় মুক্তি

রাসেল মিয়া

৫ ঘন্টা আগে
রাসেল মিয়া

দর্শনা কেরু ট্রেনিং কমপ্লেক্সে সিডিএ ও সিআইসিদের মতবিনিময় ও প্রশিক্ষণ সভা

৬ ঘন্টা আগে
দর্শনা কেরু ট্রেনিং কমপ্লেক্সে সিডিএ ও সিআইসিদের মতবিনিময় ও প্রশিক্ষণ সভা

মেহেরপুরে মাছবাহী আলগামন উল্টে দুজন আহত, হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘন্টা আগে
মেহেরপুরে মাছবাহী আলগামন উল্টে দুজন আহত, হাসপাতালে ভর্তি

আলমডাঙ্গায় যুবদল নেতা আব্দুল হাই বল্টুর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

৬ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় যুবদল নেতা আব্দুল হাই বল্টুর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় ১১ জন দুঃস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

৬ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় ১১ জন দুঃস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

আলমডাঙ্গায় প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সোহাগ আলীকে সংবর্ধনা

৬ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সোহাগ আলীকে সংবর্ধনা

নোটিফিকেশন চালু করুন

সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো সবার আগে পেতে নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন।