সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, লেখক, ও চিকিৎসক ডা. আবদুস সাত্তারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন
দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, সমাজসেবা ও প্রবাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে অসামান্য অবদান রাখা বিশিষ্ট প্রসূতি ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষানুরাগী ও লেখক ডা. আবদুস সাত্তার (১৯৩৭–২০২৪) ছিলেন এক ক্ষণজন্মা পুরুষ। মেধা, সততা ও জনহিতকর কাজের মাধ্যমে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।
জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
ডা. আবদুস সাত্তার ১৯৩৭ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার দুধসর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম সিদ্দিক হোসেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন শ্রদ্ধেয় স্কুল পরিদর্শক এবং মাতা মেহের নিগার। ধার্মিক ও শিক্ষাবহুল পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে ছোটবেলা থেকেই তাঁর মধ্যে মেধা, নীতি ও শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগের প্রতিফলন ঘটে।
শিক্ষাজীবন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে সাফল্য
তিনি ১৯৫৩ সালে মেহেরপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৫৫ সালে দেশের খ্যাতনামা ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে তিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মেডিকেল কলেজে (DMC) ভর্তি হন এবং সফলতার সাথে এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে চাকরির সন্ধান না করে চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে গমন করেন। লন্ডনে তিনি ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগ (Obstetrics and Gynaecology) বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীকালে লন্ডনে একজন সুপরিচিত চিকিৎসক (Personal/Family Physician) হিসেবে তিনি সুনাম ও দক্ষতার সাথে কর্মজীবন পরিচালনা করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান:
ডা. আবদুস সাত্তার কেবল একজন সফল চিকিৎসকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন পরম দেশপ্রেমিক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে লন্ডনে অবস্থানরত ডা. সাত্তার প্রবাসের মাটিতে মুক্তির সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন ও অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গঠিত প্রথম সংগঠন ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’-এর তিনি ছিলেন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি প্রবাসী চিকিৎসক সমিতির স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে প্রবাস থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশে প্রেরণ করা হতো। লন্ডনে বাংলাদেশী চিকিৎসকদের সংগঠিত করতে ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পরও বাংলাদেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি লন্ডন হতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করলেও কিছু ব্যক্তি তাঁর বাবা (সিদ্দিক মিয়া) ফুফাতো ভাই এবং দুই মামাকে হত্যা করে।
শিক্ষা বিস্তার ও মহতী সমাজসেবা
নিজ জন্মভূমি ও দেশের মানুষের মাঝে আলোর দিশারী হয়ে দেখা দিয়েছিলেন ডা. আবদুস সাত্তার। শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় । ১৯৯৫ সালে তিনি তাঁর পরমশ্রদ্ধেয় পিতা সিদ্দিক হোসেন মিয়া ও মাতা মেহের নিগারের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজ’। কলেজটি আজ এ অঞ্চলের শিক্ষা ও আলো বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এলাকার গরিব, অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে লক্ষ্যে তিনি কোটি টাকার অধিক অর্থ দিয়ে গঠন করেন ‘ড. আবদুস সাত্তার ফাউন্ডেশন’। এই ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে আজও বহু অসচ্ছল শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহায়তা ও বৃত্তি পাচ্ছে।
ডাক্তার আব্দুস সাত্তারের দর্শন
ডাক্তার আব্দুস সাত্তার পেশায় একজন চিকিৎসক। ছেলেবেলা থেকেই তিনি অন্য দেশ ও জাতি সম্বন্ধে জানার জন্য খুব উৎসুক ছিলেন। তাই সময় পেলেই তিনি দেশ ভ্রমণে বেরিয়ে পড়তেন। যখন যে দেশে যেতেন সে দেশের প্রকৃতি, মানুষ, আচার-আচরণ নিয়ে লিখতে শুরু করতেন। ভ্রমাণের সে সমস্ত অভিজ্ঞাতা লন্ডনের 'জনমত' পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশ হত। যা পরে তিনি গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেছেন। তিনি শতাধিক দেশ ঘুরেছেন এবং সেইসব দেশের মানুষের ভালোভাসা ও সহযোগিতায় সিক্ত হয়েছেন। সে থেকে তাঁর বিশ্বাস জন্মেছে যে একেক দেশের একক জাতির মানুষকে বাইরে থেকে আলাদা মনে হলেও ভিতরে সবাই এক। তিনি মনে করতেন- আমরা যদি পরস্পরের দেশে যাতায়াত করতে পারতাম তাহলে পরস্পরকে আরো ভালো করে জানার এবং বুঝার সুযোগ পেতাম। আর এ জানা বুঝার ফলে পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহমর্মিতা তৈরি হতো। দূর হতো হানাহানি। পরীক্ষাটা চালানো হোক না বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেই। সুফল অবশ্যই আসবে। প্রতিবেশীদের দিয়ে শুরু করার কথা বললাম এজন্যে যে টেলিভিশন ও খবরের কাগজে দেখি বর্ডার পার হতে গিয়ে রক্ষীদের গুলিতে লোকে প্রাণ হারাচ্ছে। আমার মন বিষন্নতায় ভরে ওঠে। আমি হয়তো খুব বেশি আশাবাদী ও সরল। তিনি ওমরা পালন করেছেন, মসজিদে নামাজ পড়েছেন। কিন্তু ধর্মের ব্যাপারে তিনি খুব আগ্রহী ছিলেন না। তিন অভিজ্ঞাতা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন নাট্যশালা ও অপেরা হাউজে গেছেন। মূলত তিনি মানবতাবোধে বিশ্বাসী ছিলেন।
আত্মত্যাগ ও স্মৃতির রোমন্থন
ডাক্তার আব্দুস সাত্তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছিলেন। বৃটিশ প্রবাসী বাঙালিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া বেশ একটি ঝামেলার বিষয়। ভিসার ফরমে পিতা-মাতার জাতীয়তা উল্লেখ করতে হয়। ডাক্তার আব্দুস সাত্তারের বাবা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক তিন মাস আগে মারা যান, যার কারণে মৃত্যুকালে তাঁর দাপ্তরিক জাতীয়তা ছিল পাকিস্তানি। তিনি যখন দেশে ফেরার জন্য ভিসা অনুমোদন করাতে যান তখন জটিল সমস্যা দেখা দেয়। এই জটিলতার জেরে ভিসা অফিস থেকে তাঁকে সশরীরে তলব করা হয়।
সেখানে উপস্থিত এক সহানুভূতিশীল নারী কর্মকর্তা তাঁর দস্তাবেজ দেখে বিষয়টির মানবিক ও যৌক্তিক সমাধান করেন। তিনি বলেন, “তোমার বাবার জাতীয়তা পাকিস্তানি মনে হলেও, তোমার মায়ের জাতীয়তা বাংলাদেশি। যেহেতু তোমার বাবা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন মাস আগেই মারা গেছেন, তাই তোমার পিতার জাতীয়তা বাংলাদেশি হিসেবেই গণ্য হবে।”
এই ঘটনা আব্দুস সাত্তারের মনে তার বাবার গভীর স্নেহ ও স্মৃতির নাড়া দেয়। তিনি স্মরণ করেন তাঁর বাবার পাঠানো একটি চিঠির কথা—বৃদ্ধ বাবা লিখেছিলেন, “আমি মনে করি তোমার কথা আর ভাববো না। তুমি বড় হয়েছ, তোমার নিজের ছেলেমেয়ে হয়েছে। মনকে এই বলে প্রবোধ দিই। কিন্তু তা সত্ত্বেও সব সময় তোমার কথাই মনে পড়ে।” সন্তানের প্রতি এমন চিরন্তন ভালোবাসার কোনো তুলনা হয় না।
সম্পত্তি বিনিময়ের প্রেক্ষাপট
১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়কার মানুষের ভাগ্যের চাকা দ্রুততার সঙ্গে ঘুরে গিয়েছিল নানা নাটকীয়তায়। মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট তারাপদ রায়ের জন্য পাকিস্তান রাষ্ট্র ক্রমেই বসবাস অনুপযুক্ত ও অনিরাপদ হয়ে উঠছিল। উগ্রবাদীদের হাতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় নির্যাতিত হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি দারুণ শঙ্কিত ছিলেন এবং পরিবারসহ ভারতে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অ্যাডভোকেট তারাপদ রায়ের এই দেশত্যাগের সিদ্ধান্তটি আরেক ব্যক্তি সিদ্দিক হোসেনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে। তারাপদ মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের প্রায় চারশত বিঘা জমির দলিল সিদ্দিক মিয়ার নিকট হস্তান্তর করেন। সিদ্দিক মিয়া চারপুত্র আবদুস সাত্তার, সালাউদ্দীন, হারুন-অর রশিদ, মোতাহার হোসেন এবং ছয়কন্যা মরিয়ম বেগম, রাবেয়া বেগম, জেবুন্নেছা বেগম, জাহানারা বেগম, আনোয়ারা বেগম ও রওশন আরা বেগমকে নিয়ে মুন্সিগঞ্জের জেহালাতে স্থায়ী বসতি স্থাপন করলেন। তারাপদের সে বাড়িতে এখনো সিদ্দিক মিয়ার দু’নাতনী সায়মা নিগার ও নাঈমা নিগার বসবাস করছেন।
সিদ্দিক মিয়ার আভিজাত্য ও শিক্ষার কদর
আলমডাঙ্গা পৌরসভার প্রথম মেয়র আব্দুল ওহাব মিয়া ছিলেন সিদ্দিক মিয়ার জামাতা। ওহাব মিয়া বিয়ে করেছিলেন জেবুন্নেছা বেগমকে। শ্বশুরের যশ-খ্যাতি সম্পর্কে তিনি বলেন-শ্বশুরের খ্যাতি মানুষের মুখে মুখে। উন্নত পারিবারিক ইতিহাস-ঐতিহ্য। তাদের মেয়ে বিয়ে করতে গেলে ন্যূনতম বিএ পাস হওয়া প্রয়োজন। শ্বশুর মশায়ের কাছে শিক্ষার গুরুত্ব অত্যাধিক। ওহাব মিয়াও ছিলেন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। দেশভাগের কারণে তারও চলে আসেন এই জনপদে। আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের জোতদার দুভাই শ্রীপ্রফুল্ল চন্দ্র ও শরৎচন্দ্র সরকারের সাথে জমির বিনিময় করেন। অর্থাৎ এ অঞ্চলে সিদ্দিক হোসেন মিয়ার পারিবারিক ঐতিহ্য ছিল ঈর্ষানীয়।
সাহিত্যচর্চা ও ভ্রমণ সাহিত্য
চিকিৎসাসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি ডা. আবদুস সাত্তার ছিলেন একজন সাহিত্যপ্রেমী ও হৃদয়গ্রাহী ভ্রমণ পিপাসু ও ভ্রমণ কাহিনী লেখক। লন্ডনের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লেখালেখি করতেন। তাঁর রচিত পাঁচটি জনপ্রিয় গ্রন্থের হল-
১. ‘দেশে দেশে’(প্রগতি প্রগতি প্রকাশনী-১৯৯৩)
২. ‘জাপান থেকে মেক্সিকো’(সন্দেশ-প্রথম প্রকাশ-২০০৫
৩. ‘আলাস্কা থেকে ও কানাডার রকি পর্বত’(দি রয়েল পাবলিশার্স-২০১২)
৪. 'লঙ্কা,লেলিন,হোচিমিন ও নেলসন মেন্ডেলার দেশে' (দি রয়েল পাবলিশার্স-২০১৫)
৫. ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে মুর্শিদাবাদ ও শান্তিনেকেতন(দি রয়েল পাবলিশার্স-২০২০)।
ভ্রমণপিপাসু ও জ্ঞানান্বেষী পাঠকদের কাছে তাঁর সুচিন্তিত ও জীবনঘনিষ্ঠ লেখনি অত্যন্ত সমাদৃত ও বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর ভ্রমণ কাহিনির বইগুলি ইতিহাস, সাধারণ জ্ঞান, বাস্তব অভিজ্ঞতায় ঠাসা। কোন ব্যক্তি ঘরে বসে বিশ্বভ্রমণের স্বাদ নিতে চাইলে তাঁর ভ্রমণ কাহিনিগুলো পড়া উচিত।
রেখে যাওয়া স্মৃতি
ডা. আবদুস সাত্তার ছিলেন প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম ও মানবতার এক অনন্য প্রতীক। একজন সফল চিকিৎসক, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠক, দূরদর্শী শিক্ষানুরাগী ও প্রথিতযশা লেখক। তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অবদান রেখে গেছেন, তা জাতির স্মৃতিতে ভাস্বর হয়ে থাকবে। ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে ৮৭ বছর বয়সে লন্ডনে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই মহান ব্যক্তি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং দেশ-বিদেশে বিস্তৃত হাজারও অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর জীবন ও জনহিতকর কাজ বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে চিরকাল অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
সাফল্যের জয়গান: আলমডাঙ্গা একাডেমিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের রাজসিক সংবর্ধনা
৫ দিন আগেযুক্তরাষ্ট্রে এসিআই মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি প্রতিযোগিতায় চুয়েট দলের গৌরবময় প্রথম স্থান
৬ দিন আগে
আলমডাঙ্গায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উপজেলা পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ হিসেবে স্প্রে মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলব্যাগ ও ফুটবল, ক্লাবের জন্য ফুটবল ও জার্সি বিতরণ
১ সপ্তাহ আগে