সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
নিমগ্ন পাঠাগারে কবি জসীম উদদীন: জীবন ও সাহিত্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
২৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. শুক্রবার বাদ আসর আলমডাঙ্গা নিমগ্ন পাঠাগারে 'জসীম উদ্দীন : জীবন ও সাহিত্য' শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। মুনশি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহর কুরআন কারীম তিলাওয়াতের পর জসীম উদদীনের সংক্ষিপ্ত জীবনী আলোচনা করেন কাজল আহমেদ এবং তাঁর সাহিত্যের উপর মূল্যায়ন পেশ করেন ইমদাদুল হক।
অনুষ্ঠানে জসীম উদদীনের কবিতা পাঠ করেন ইমদাদুল হক, সোহেল রানা, তাওহিদ খান, নূরে সিফাত তানিম, নাদিউজ্জামান রিজভী, মুনশি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শারজিল হাসান, বেলায়েত হোসেন বিপু, তামিম হোসেন ডালিম, মুহাম্মদ মাহফুজ ও ইসমাইল শিপন।
অনুষ্ঠানে জসীম উদদীনের গান ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি রাশেদ কিরণ এবং নাশিদ পেশ করেন হাফেজ ইমরান বকুল। আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ সিদ্দিক হোসেন, আব্দুল্লাহ ইব্রাহিম ও আসাদুল্লাহ ইব্রাহিম।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। ৭৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে সাহিত্য সাধনা করেছেন। গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের অতি সাধারণ জীবনকে তিনি তাঁর লেখনীর প্রধান উপজীব্য করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রাখালী (১৯২৭), নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), বালুচর (১৯৩০), ধানখেত (১৯৩৩) ও সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩)। এছাড়া তিনি ‘বোবা কাহিনী’ নামক একটি উপন্যাস এবং ‘বেদের মেয়ে’র মতো জনপ্রিয় নাটক রচনা করেছেন। তিনি গদ্যকার হিসেবেও সফল ছিলেন, তবে তাঁর কবিসত্তা অন্য সব পরিচয়কে ছাপিয়ে গেছে। সহজ-সরল শব্দে পল্লী প্রকৃতির রূপায়ণ এবং বিরহ-বেদনার নিখুঁত চিত্রায়ণে তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছে অনন্য সাধারণ, যা যে কোনো পাঠককে গ্রামবাংলার চিরন্তন আবেগে আপ্লুত করার ক্ষমতা রাখে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
ইকবাল আহ্বায়ক ও মুকুল সদস্য সচিব : আলমডাঙ্গায় নজরুলবর্ষ বাস্তবায়ন প্রস্তুতি কমিটি গঠন
২ সপ্তাহ আগে
নিমগ্ন পাঠাগারে ইমদাদুল হকের ছোটগল্পে গ্রামীণ জীবন ও ইসলামি ঐতিহ্যের ব্যবহার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
৩ সপ্তাহ আগে
আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণসভা
১ মাস আগে