সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণে ২য় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
দেশের সার্বিক যোগাযোগ অবকাঠামোর মানোন্নয়ন এবং আধুনিকায়নের লক্ষ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ అధికారు নির্দেশ প্রদানকালে তিনি এ বার্তা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব শাহরিয়ার পামির বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, বর্তমানে প্রস্তাবিত দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ গতিশীল রয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এ সমীক্ষা শেষ হবে। এর পরই সেতুর মূল নকশা, সুনির্দিষ্ট স্থান এবং প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় চূড়ান্ত করা হবে। সভায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য ‘ওয়াই-আকৃতি’র সংযোগ ব্যবস্থা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সড়ক সংযোগের ওপর বিশেষ আলোকপাত করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু চালু হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মোংলা সমুদ্রবন্দর, বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের বিকল্প ও দ্রুত যোগাযোগের পথ সুগম হবে। অপরদিকে, শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উক্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
একই দিনে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী 'বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬'-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের টেকসই নিরাপত্তার জন্য সরকার সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোলার অবকাঠামো উন্নয়নে প্রারম্ভিক ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য 'স্টার্ট আপ' খাতে প্রতি বছর ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।