সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
চালু হলো সামিটের বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল, জাতীয় গ্রিডে বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। টানা চার দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার বেলা ১টায় টার্মিনালটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সর্বাহ বাড়তে শুরু করে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষে সামিটের টার্মিনালটি গ্যাস সরবরাহ শুরু করায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর থেকে টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় দৈনিক ৪০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ কমে গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় রূপান্তরের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে—যার একটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জির এবং অপরটি সামিটের। পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, এই দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক সর্বমোট ১০৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস রূপান্তরের সক্ষমতা রয়েছে।
শনিবার বিকেলে পেট্রোবাংলা জানায়, দুটি টার্মিনাল থেকে গ্রিডে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে আসা ১৫৮ কোটি ঘনফুট যুক্ত হয়ে দেশে বর্তমানে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫৮ কোটি ঘনফুট। গত চার দিন এই সরবরাহের পরিমাণ নেমে এসেছিল গড়ে ২১০ কোটি ঘনফুটে। যদিও বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট।