আলমডাঙ্গায় জিকে ক্যানেলপাড়ে মরা মুরগী ফেলে পরিবেশ দূষণ, খামারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
পরিবেশ দুষণ | আলমডাঙ্গায় জিকে ক্যানেলপাড়ে মরা মুরগী ফেলে পরিবেশ দূষণ, খামারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
আলমডাঙ্গা-মিরপুর সীমানার জিকে ক্যানেলের পাশে প্রকাশ্যে মরা মুরগী ফেলে পরিবেশ দূষণের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এক খামারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল শামীম এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিরপুর উপজেলার নান্দিয়া গ্রামের রাজীব ও রানা নামের দুই খামারি দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিকভাবে মুরগী পালন করে আসছিলেন। কয়েকদিন আগে আকস্মিক ঝড়ে তাদের খামারের দুটি মুরগির শেড ভেঙে পড়ে। এতে কয়েকশ’ মুরগী মারা যায়। কিন্তু মৃত মুরগীগুলো স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মাটিতে পুঁতে ফেলার পরিবর্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী হাসিবুল ও নাইম তা আলমডাঙ্গা-মিরপুর সীমানার জিকে ক্যানেলের পাশে ফেলে রাখে।
দিন কয়েকের মধ্যেই পচে যাওয়া মুরগীর তীব্র দুর্গন্ধে পুরো এলাকা জনদুর্ভোগে পরিণত হয়। ক্যানেলপাড় দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। অসহনীয় দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে।
পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠলে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।
তার নির্দেশে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল শামীম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাইম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযানে নামেন তিনি।
পরে নান্দিয়া গ্রামে সংশ্লিষ্ট খামারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে পরিবেশ দূষণের অপরাধে খামার মালিককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, আগামী ১৮ এপ্রিল বিকাল ৫টার মধ্যে সকল মৃত মুরগী যথাযথভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল শামীম বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। যারা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে এ ধরনের কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের অবহেলা শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। তাই ভবিষ্যতে যেন কেউ এ ধরনের দায়িত্বহীন কাজ করার সাহস না পায়, সে জন্য প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় এসএসসি টেস্টের ইংরেজি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কোচিং পরিচালকসহ আটক ২ : মুচলেকায় মুক্তি
৭ ঘন্টা আগে
রাসেল মিয়া
৮ ঘন্টা আগে
দর্শনা কেরু ট্রেনিং কমপ্লেক্সে সিডিএ ও সিআইসিদের মতবিনিময় ও প্রশিক্ষণ সভা
৯ ঘন্টা আগে