৬ ডিসেম্বর মেহেরপুর মুক্ত দিবস
মেহেরপুর প্রতিনিধি \ আজ ৬ ডিসেম্বর। মেহেরপুর মুক্ত দিবস। মুক্তিবাহিনীর প্রতিরোধের মুখে দাঁড়াতে না পেরে হানাদার বাহিনীরা মেহেরপুর ছেড়ে পালিয়ে যায়। মেহেরপুরবাসী পায় স্বাধীন ভূমি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে স্বাধীনতার সুতিকাগার মুজিবনগর তথা মেহেরপুরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তৎকালীন এসডিও তৌফিক এলাহির সক্রিয় ভূমিকায় ছাত্র, আনসার-মুজাহিদদের নিয়ে মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলা হয়।
ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রশিক্ষণ শেষে মুক্তি বাহিনী মেহেরপুর প্রবেশ করে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। পাক বাহিনীর হাত থেকে মেহেরপুরকে মুক্ত করতে চারদিক থেকে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুক্তি বাহিনী।
৫ ডিসেম্বর বিকেলে জেলার বিভিন্ন দিক দিয়ে পাকবাহীনির উপর আক্রমন করা হয়। অপর আক্রমনটি করা হয় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের বামুন্দিতে। অবস্থা বেগতিক দেখে ৫ ডিসেম্বর রাত থেকেই পাক বাহিনী মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার দিকে পিছু হঠতে শুরু করে।
আর কুষ্টিয়া সড়কের খলিশকুন্ডি দিয়ে পালিয়ে যায় পাক বাহিনী। যাবার সময় আমঝুপি দ্বিনদত্ত¡ ব্রীজ, ওয়াবদা সহ বহু গুরত্বপূর্ণ স্থান ধ্বংশ করে দিয়ে যায়। ৬ ডিসেম্বর সকালে আর কোন পাক বাহিনীর সদস্যকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদিন সকাল থেকেই মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়ে।