মফস্বলের পূজামণ্ডপে কেন্দ্রীয় নেতা : আপ্লুত সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়
মফস্বলের শান্ত-সরল জনপদ আলমডাঙ্গা। শারদীয় দুর্গোৎসবে উৎসবের ঢাক, কীর্তন ও ভজন গান আর রঙিন আলোর ঝলকে যখন পূজামণ্ডপগুলো মুখরিত, তখনই মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সেখানে পা রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। হঠাৎ আগমনেই ভক্তরা আপ্লুত হয়ে ওঠেন।
মণ্ডপে প্রবেশ করে দুদু সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাঁদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের আসল শক্তি আমাদের ভ্রাতৃত্বে। এখানে ধর্মের ভেদাভেদ নেই—আছে মিলন, আছে মমতা। বিএনপি সবসময় এই সম্প্রীতির রাজনীতিতেই বিশ্বাসী ছিল, আছে, আগামীতেও থাকবে।”
তিনি আরও যোগ করেন— “দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আনন্দ ভাগাভাগির উৎসব। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই একসাথে হাসি-আনন্দে মিলেমিশে উৎসব পালন করে। রাজনীতি যদি মানুষের কষ্ট লাঘবের কথা বলে, তবে উৎসব মানুষের মনকে এক করার কথা বলে।”
স্থানীয় পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ডা. অমল কুমার পাল বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের একজন প্রভাবশালী নেতা আমাদের মণ্ডপে আসায় আমরা গর্বিত। তাঁর আন্তরিকতা ও কুশল বিনিময় আমাদের আনন্দ দিয়েছে। তাছাড়া, শরিফ ভাইসহ বিএনপির স্থানীয় নেতারা একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন।"
এক প্রবীণ ভক্তের কণ্ঠেও শোনা গেল প্রশান্তি—“নেতাদের মুখে সম্প্রীতির কথা শুনলে আমাদের ভরসা বাড়ে। দুর্গোৎসব শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, এটি সবার উৎসব। মিলেমিশে আনন্দ ভাগাভাগি করাই আমাদের সংস্কৃতি।”
দুদুর সফরের পর আলমডাঙ্গা জুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয়রা বলছেন, রাজনীতির বড় দলের কেন্দ্রীয় নেতা যখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে মফস্বলের পূজামণ্ডপে আসে, তখন তা জনমানসে গভীর প্রভাব ফেলে।
আলোর ঝলকানি, ঢাকের তালে ভক্তিময় পরিবেশ আর এক কেন্দ্রীয় নেতার মানবিক বার্তা—সব মিলিয়ে এই দিনটি হয়ে থাকল আলমডাঙ্গার দুর্গোৎসবের ইতিহাসে এক অনন্য সম্প্রীতির স্মৃতি।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রাসেলের পক্ষে নির্বাচনী মিছিল
৯ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় আমদানি নির্ভরতা কমাতে তেলজাতীয় ফসল আবাদ বাড়ানোর তাগিদ
২০ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেফতার ২: ১জন পলাতক
১ দিন আগে