আলমডাঙ্গায় এসএসসি-১২ ব্যাচের ঈদপূণর্মিলনী যেন কৈশরের স্মৃতিযাপন
" তবু সে সন্ধ্যাকালে /জলদের অন্তরালে/ পূণ:ফিরে চায়।" মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে তার শৈশব ও কৈশর। একবার শৈশব-কৈশর হারিয়ে ফেললে সেই তীর্থস্থানে আর ফেরা যায় না। থাকে শুধু শৈশব-কৈশরের ঐশ্বর্যময় স্মৃতি। থাকে শুধুই স্মৃতিকাতরতা, থাকে শুধু স্মৃতিবিধুরতা। থাকে শৈশব-কৈশোরে ফেরার আকুলতা, থাকে শুধু স্মৃতিযাপন। ঈদ পূণর্মিলনী শুধু সেই স্মৃতিকাতরতা, সেই স্মৃতি মেদুরতায় ফিরে আসা।
এসএসসি-১২ ব্যাচের ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান ঘিরে যেন সেই স্মৃতি মেদুরতার মেঘ বৃষ্টি বাদল্র তুমুল নিম্নচাপ বহমান ছিল। আলমডাঙ্গা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঈদের পরদিন। আলমডাঙ্গা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দীনের সভাপতিত্বে মিলনমেলায় অতিথি হিসেবে ছিলেন এরশাদপুর একাডেমির প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক শামিম, পাইকপাড়া জনকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ইছাহক আলী, সিনিয়র শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, রহমান মুকুল, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, আবু তালেব, আনোয়ারুজ্জামান, রাসেল আহমেদ ও মাহফুজ আহমেদ।
জমকালো এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আলমডাঙ্গা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এরশাদপুর একাডেমি, পাইকপাড়া জনকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হারদী মীর শামসুদ্দিন আহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পোলাতাডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১২'র বন্ধুরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আনন্দর্যালী, স্মৃতি চারণ, বিভিন্ন খেলাধুলা, র্যাফেল ড্র, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা এবং সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সবাইকে ব্যান্ড সংগীতের তালে মাতিয়ে রাখেন ২০১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ব্যান্ড শিল্পী মিশেল এবং তার দল।