আলমডাঙ্গায় ডায়াবেটিস সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত
আলমডাঙ্গায় ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি আলমডাঙ্গা শাখার সেমিনার হলে আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতি ও ইসলামী ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
এ বছরের বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের প্রতিপাদ্য— “কর্মস্থলে ডায়াবেটিস সচেতনতা গড়ে তুলুন।” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি রহমান মুকুল'র সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আলমডাঙ্গা শাখার প্রধান মো তকিয়ার রহমান। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণত সম্পাদক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা মো আব্দুল্লাহ আল মামুন।
ব্যাংকের ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আলমডাঙ্গা শাখার ম্যানেজার অপারেশন মো সামছুল আলম এর পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো হাবিব হাসান,কর্মকর্তা মো আব্দুর রহিম, কর্মকর্তা মো আকুব্বার আলী,মো আমির হোসেন,মো সোহেল রানা প্রমুখ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী ব্যাংক আলমডাঙ্গা শাখার প্রধান ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তকিয়ার রহমান বলেন, “ব্যাংকের কর্মীরা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন, তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি থাকে। আমরা চাই—প্রতিটি কর্মী ও গ্রাহক নিজস্ব স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হোক। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন নয়, যদি আমরা নিয়ম মেনে চলতে পারি। ব্যাংক ভবিষ্যতেও স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এমন আয়োজন করবে।”
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “ডায়াবেটিসকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় কারণ অনেক সময় মানুষ বুঝতে পারে না যে তিনি আক্রান্ত। নিয়মিত পরীক্ষা, পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, হাঁটা, ওজন নিয়ন্ত্রণ—এই সহজ নিয়মগুলোই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। কর্মস্থলে সবাই সচেতন থাকলে এই রোগ সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।”
সেমিনারের সভাপতি ও আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি রহমান মুকুল বলেন, “ডায়াবেটিস এখন শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয় - এটি পরিবার ও সমাজকে প্রভাবিত করছে। অনেক মানুষ ব্যস্ততার কারণে নিজের স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেন না। নিয়মিত চেকআপ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই ডায়াবেটিস প্রতিরোধের প্রধান উপায়। আমরা চাই—প্রতিটি মানুষ সময়মতো রোগ শনাক্ত করুক এবং সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখুক।”
সেমিনার শেষে উপস্থিত অতিথিদের মাঝে সচেতনতামূলক পরামর্শপত্র বিতরণ করা হয়।