সাম্প্রতিক

দিন যায় দিন আসে (ধারাবাহিক- ৫)

শুভ্রঃ হ্যা — লো, হ্যা —লো —।

লালিমাঃ কেমন ছিলে? বেশ কয়েক দিন তুমি ফোন দাও নি , খোঁজ নাও নি। জানো তোমার ফোন না পেলে “ মনে হয় যেন বিশ্ব ভূবনে কেহ নাই কিছু নাই।“

শুভ্রঃ তুমিও তো খোঁজ নাও নি। আমি ভাবছি এই অভাজনকে হয়তো অন্যান্যের মত তুমিও—-।

লালিমাঃ আসলে কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ্য। এখনও অসুস্থ্য।

শুভ্রঃ “ আজকে তোমার শরীর খারাপ/ কালকে তোমার শরীর খারাপ/ পরশু তোমার শরীর খারাপ থাকবে।/ সুস্থ্য শরীর পেতে দিয়ে একদিন কি আমায় কাছে ডাকবে।”

লালিমাঃ বাজে কবিতা আওড়ালে কিন্তু আমি ফোন রাখছি!

শুভ্রঃ আরে বাদ দাও একটু ইয়ার্কি করছি।

লালিমাঃ “আকুলিয়া ঘন কালো কেশ, দেহ ঘেরি নভ নীল বেশ, কাজল নয়নে, যূথীমালা গলে” নব ধারাজলে ভিজে এই অবস্থা।

শুভ্রঃ একা? নাকি স্বামী দেবতার সাথে? এই সেলফি তুলেছিলে?

লালিমাঃ  কেন হিংসে হচ্ছে ?  না একাই। তুমি একটা ভাল কবিতা শোনাও না।

শুভ্রঃ “ যদি ভালবাসা দাও , আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো

আমি বিষ পান করে মরে যাব।

বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশ

নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ

প্রান্তরে দিগন্তে নির্নিমেষ –

এ আমারই সাড়ে তিন হাত ভূমি

যদি নির্বাসন দাও , আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো

আমি বিষ পান করে মরে যাব।

ধানক্ষেতে চাপ চাপ রক্ত

এইখানে ঝরেছিল মানুষের ঘাম

এখনো স্নানের আগে কেউ কেউ করে থাকে নদীকে প্রণাম

এই নদীর বুকে

মোচার খোলায় ঘোরে

লুটেরা ফেরারি।

শহরে বন্দরে এত রক্ত-বৃষ্টি

বৃষ্টিতে চিক্কণ তবু এক একটি অপরূপ ভোর,

বাজারে ক্রূরতা , গ্রামে রণহিংসা

বাতাবি লেবুর গায়ে জোনাকির ঝিকমিক খেলা

বিশাল প্রাসাদে বসে কাপুরুষতার মেলা।

কুয়াশার মধ্যে এক শিশু যায় ভোরের ইস্কুলে

নিথর দীঘির পারে বসে আছে বক

আমি কি ভুলেছি সব

স্মৃতি, তুমি এত প্রতারক?

আমি কি দেখিনি কোন মন্থর বিকেলে

শিমুল তুলোর ওড়াওড়ি?

মোষের ঘাড়ের মত পরিশ্রমী মানুষের পাশে

শিউলি ফুলের মত বালিকার হাসি

নিই নি কি খেজুর রসের ঘ্রাণ

শুনি নি কি দুপুরের চিলের

তীক্ষ্ম স্বর?

বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশ –

যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো

আমি বিষ পান করে মরে যাব।।”

লালিমাঃ বেশ ভাল লাগল। ধন্যবাদ তোমায়।

শুভ্রঃ কেমন আছো বল?

লালিমাঃ কি আর বলব। বিদেশে আছি স্বামীগৃহে শুয়ে-বসে, বেড়ানো আর শপিং নিয়ে।

“ আমরা কতিপয় আমলার স্ত্রী/ তোমার দিকে মুখ ফেরালাম

হে প্রভূ আমাদের ত্রাণ করো/ বিশ্রামে বিধ্বস্ত আমরা / কতিপয় আমলার স্ত্রী।

হে প্রভূ আমাদের স্বামীরা অগাধ নথিপত্রে ডুবুরি/ পরিবার পরিকল্পনায় আমরা নিঃস্ব/ সময় আমাদের পিষ্ট করে যায়।”

শুভ্রঃ তুমি তো ভাল আবৃত্তি কর। পুরোটাই না হয় শোনাতে।

লালিমাঃ এখন আর সমস্তটা মুখস্ত আওড়াতে পারব এমন আত্মবিশ্বাস নেই যে। তোমাকে অন্য একদিন গান শোনাব।

শুভ্রঃ সত্যি!

লালিমাঃ আচ্ছা, দূর থেকে আলমডাঙ্গায় পহেলা বোশেখ পালনের অনেক ছবি তো দেখলাম। তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেলফি। বাংলাদেশে কি সেলফি খুব জনপ্রিয় ইদানিং? অতিরিক্ত সেলফির বাতিকগ্রস্থরা কি নিজেদেরকে শিক্ষিত, রুচিশীল ও ব্যক্তিত্ববান মনে করেন? আমার মাথায় আসে না যে, কী করে একজন শিক্ষিত ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ সেলফিতে এত উৎকটভাবে নিজেকে জাহির করতে পারে? কিছু বল, এদের কি পার্সনালিটি কিছু আছে?

শুভ্রঃ কি জানি আমরা তো এই সেলফির বিরক্তির মধ্যেই বেশ আছি।

লালিমাঃ আসলে তোমরাও ব্যক্তিত্ব বিসর্জনের খাতায় নাম লিখিয়েছো? ব্যক্তিত্ব কী তা ভুলে গেছ।

শুভ্রঃ ব্যক্তিত্ব কী তুমি আরেক বার মনে করিয়ে দাও না।

লালিমাঃ ফাজলামি করছো?

শুভ্রঃ মোটেও না। আমিও ঝালাই করে নিই আরেকবার, আর আমাদের পাঠকদেরও জানা হোক আরেকবার। বল না।

লালিমাঃ ব্যক্তিত্ব হচ্ছে সেই সব লক্ষণ, সে লক্ষণগুলির কারণে সে অন্যান্যদের চে’ আলাদা। ব্যক্তিত্বের ইংরেজী প্রতিশব্দ – personality. শব্দটি ল্যাটিন শব্দ persona থেকে উদ্ভূত। যার অর্থ – মুখোশ। প্রাচীন রোমে অভিনেতারা মুখোশ পরে অভিনয় করত অর্থাৎ অপরের নিকট নিজেকে প্রকাশ করত না। সেই অর্থে ব্যক্তিত্ব হচ্ছে – ব্যক্তি যেভাবে অপরের নিকট প্রকাশিত হয়, তা।

পরবর্তিকালে অনেকেই ব্যক্তিত্বকে “ ব্যক্তির স্বরূপ ” বলেছেন। বলা যায় ব্যক্তিত্ব হচ্ছে – ব্যক্তির সামগ্রিক অর্জন। এ যুগে ব্যক্তিত্ববানকে অবশ্যই সংস্কৃতিবান হতে হয়। আচ্ছা, তুমিও পার্সনালিটির একটা উদাহরণ দিয়েছিলে? এখন মনে আছে? ওই যে খুব সহজ করে ব্যাখ্যা করার জন্য।

শুভ্রঃ আসলে অনেকেই মনে করেন যে, সকলের সাথে মিশলে, সকল শ্রেণির মানুষের সাথে সখ্যতা রাখলে ব্যক্তিত্ব উধাও হয়ে যাবে। আছে না এমন নাক উঁচু স্বভাবের?  তাদের উদ্দেশ্যেই বলেছিলাম।

“ দশজনের মধ্যে এগারোতমই হচ্ছে ব্যক্তিত্ব।“ অর্থাৎ- আমি নিজেসহ দশজনের সকল সৌকর্ষ, সকল শুভ অর্জন আমি আহরণ করে নিয়ে অন্য এক অনন্য ব্যক্তিতে পরিণত হলাম। এই অনন্য আমিই এগারোতম ব্যক্তি। আর দশজনের সাথে এখন আর আমার তুলনা নেই। এমনকি সাবেক আমার সাথেও না। এই এগারোতমতে রূপান্তরিত হওয়াকেই ব্যক্তিত্ব বলে।

লালিমাঃ রামদিয়া-কায়েতপাড়ার বাওড়ের সভাপতি জিয়া খুনের রহস্য কি উন্মোচিত হল?

শুভ্রঃ , আলমডাঙ্গার রামদিয়া-কায়েতপাড়া বাওড়ের সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া হত্যাকান্ডের ইতোমধ্যে ৩ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে। এখনও তার হত্যাকান্ডের নেপথ্যের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশ বেশ কয়েকটি বিষয়কে সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন।

১) আধিপত্য বিস্তারঃ রামদিয়া-কায়েতপাড়া বাওড়ের আয়তন প্রায় ১২ শ বিঘা। এতবড় বাওড়ের আধিপত্য নিয়ে সব সময় কম-বেশি লড়াই ছিল। গত টার্মে যারা লীজসূত্রে  বাওড়ের মালিকানা ভোগ করেছিলেন তাদের সাথে নিহত জিয়ার সম্পর্ক কেমন ছিল। সে পক্ষের সাথে জিয়ার সম্পর্কের উন্নতি-অবনতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকাসূত্রে জানা যায় – আগের টার্মের বাওড় লীজগ্রহীতা পক্ষের নেতা ওল্টু ও সেলিম গং নিহত জিয়ার নিকট আবারও ৩ বছরের জন্য বাওড়ের অধিকার চেয়েছিল। জিয়ার সমিতি তাতে রাজি না হওয়ায় তিওরবিলার ওল্টু ৩/৪ জনকে সাথে নিয়ে জিয়ার সমিতিকে প্রথমে ৬ লাখ ও পরে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ নিয়ে চলছিল দ্বন্দ্ব।

২) ইউপি নির্বাচন কেন্দ্রীক দ্বন্দ্বঃ ইউপি নির্বাচনের আর মাত্র ৯ মাস বাকী।  ইতোমধ্যে নির্বাচন কেন্দ্রীক দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিয়ে উঠা অস্বাভাবিক না। নির্বাচনীয় আধিপত্য বিস্তার এ হত্যার নেপথ্য কি-না তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। গ্রামের একাধিকসূত্র জানায়, নিহত জিয়া বর্তমান চেয়ারম্যান রুন্নুর লোক। অন্যদিকে, পূর্বে যারা বাওড়ের মালিকানা ভোগ করতেন তারা লালের লোক। তাছাড়া চাঁদা দাবিকারি ওল্টুর বাড়ি লালের গ্রামের। সে ক্ষেত্রে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লালও পুলিশের সন্দেহের তালিকার বাইরে না বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছেন। তবে এলাকার অনেকেই জানিয়েছেন, বর্তমানে লাল এলাকার কোন ঝামেলায় থাকেন না। এমনকি গ্রামেও যান না।

৩) কয়েকজন ভয়ঙ্কর নৈশ্যপ্রহরীঃ নিহত জিয়া নৈশ্যপ্রহরিদের সাথে বাওড়ের পানিতে নৌকায় রাত কাটাত। প্রতি ভোরে তিনি মসজিদের নিকটে কুলে নৌকা ভিড়িয়ে ডাঙ্গায় নামতেন। মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে তারপর বাড়িতে ঢুকতেন। কিন্তু শুরুমাত্র হত্যাকান্ডের ভোরে তিনি মসজিদের নিকট না নেমে কিছুটা দূরে আলপথে নামেন।  কেন শুধু ওই ভোরেই এ ব্যত্যয় ঘটল? কোন কোন নৈশ্যপ্রহরীর তাকে প্ররোচিত করে ওই আল পথে নামতে? বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিহত  জিয়ার সমিতির  ৬ জন নৈশ্যপ্রহরীর মধ্যে ৩/৪ জন ভয়ঙ্কর বলে এলাকাসূত্রে জানা যায়। এদের মধ্যে ৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ নানা ধরনের মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। এদের মধ্যে কায়েতপাড়ার সলোক, আব্দার, ইউনুস উল্লেখযোগ্য।  এলাকার অনেকেই বলেছেন এদেরকে গ্রেফতার করে ভালভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই রহস্য উন্মোচিত হতে পারে। সন্দেহের তালিকায় থাকা নৈশ্যপ্রহরিদের মোবাইলফোনের গত কয়েকদিনের কললিস্ট মনিটরিং করা হলেই উন্মোচিত হতে পারে এ হত্যারহস্য বলে অনেকের ধারণা।

৪) হত্যাকান্ডের পূর্ব দিন দেওয়া খুনের হুমকিঃ জিয়া হত্যাকান্ডের পূর্বদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার  বিকেলে নিহত জিয়ার ভাই আশা মাছ আনতে যায় রামদিয়ায়। সেসময় রামদিয়া বাজারে আশার সাথে তিওরবিলার ওল্টু, রামদিয়ার সন্ত্রাসি টাকুসহ ৪/৫ জনের একটি গ্রুপের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা আশাকে হুমকি দিয়ে বলে, “তোর ভাই জিয়ার আজই শেষ দিন।”

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় – ওল্টু হরিণাকুন্ডু উপজেলার ঠকপাড়ার হানেফ আলীর সাথে চরমপন্থী গ্রুপ করত। তারা দুজনেই প্রায় দেড় যুগ জেল খেটে বাড়ি ফেরে।

টাকু প্রায় ১ যুগ আগে রমজান মাসে তারাবি নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হলে প্রতিপক্ষ ৩ জনকে গুলি করে গুরুতর আহত করেন। সে মামলায় বহু বছর জেল খেটে সেও বর্তমানে বাড়িতে। এলাকাবাসির ধারণা – এ দুজনের নেতৃত্বে নতুন চরমপন্থি গ্যাংগ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এরাই জিয়াকে হত্যা করতে পারে। কয়েকজন নৈশ্যপ্রহরি তাদের সাথে জড়িত থাকতে পারে। জিয়া হত্যাকান্ডের সকালে গ্রাম থেকে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির পোস্টার গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে  দেখেছিল অনেকে। ওল্টু নিজেও হানেফের সাথে পূর্ব বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি সক্রীয়ভাবে করত।

৫) এছাড়াও পুলিশ গুরুত্বের সাথে দেখছে চুয়াডাঙ্গার শান্ত জোয়ার্দ্দারের  মেয়াদ থাকা সত্বেও বাওড় ছেড়ে যাওয়ার ব্যাপারটি। বাওড়ের মৎস্যজীবী সমিতির সাথে চুক্তি অনুযায়ি শান্ত জোয়ার্দ্দারের এগ্রিমেন্টের মেয়াদ ছিল এই এপ্রিল মাস অবধি। তিনি শতকরা ৬৫ ভাগ ও সমিতি ৩৫ ভাগ মাছ বিক্রির লভ্যাংশ পেতেন। প্রথম ভাগে মাছ ছোট থাকায় লাভ খুব বেশি না হলেও শেষের দিকে মাছ তো বেশ বড় আকৃতির হয়। ফলে শেষভাগে লাগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা। তারপরও শান্ত জোয়ার্দ্দার ২ বছর পূর্তির আগেই গত জানুয়ারির প্রথম ভাগে বাওড় ছেড়ে আসেন। কেন তিনি বাওড় ছাড়লেন মেয়াদ পূর্তির আগেই? তিনিও কি হুমকির মুখে ছিলেন? এ বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বলে জানা যায়।

দেখ, ৩ দিনের মাথায় আবারও রেলজগন্নাথপুরের এক কৃষক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিকে মাথায় কোদালের উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত । এখনও জিয়া হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হল না, এরই মধ্যে আবার নতুন হত্যাকান্ড। পুলিশ বেশ বিপাকে।

লালিমাঃ রেলজগন্নাথপুর কোথায়?

শুভ্রঃ এটা কালিদাসপুর ইউনিয়নে। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যাপক লাল ভাইকে তো তুমি চিনতে। তার বড় ভাই।

লালিমাঃ ইন্না লিল্লাহি—-রাজিউন।

শুভ্রঃ “ ছাড়িতে পরাণ নাহি চাই/ তবু যেতে হবে হায়।/ মালা মিনতি করে তবু কুসুম শুকায়।।” অনুমতি দাও আজকের মত রাখি।

লালিমাঃ আচ্ছা, ভাল থেকো, শরীরের যত্ন নিও। ফি আমানিল্লাহ।

শুভ্রঃ আল্লাহ হাফিজ।

 

 

রহমান মুকুল

২২ এপ্রিল ২০১৭ ইং

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না

x

Check Also

জেনে নিন মূর্খ কালিদাসের মহাকবি হয়ে ওঠার গল্প

বাংলা ভাষার প্রধান উৎস হচ্ছে সংস্কৃত ভাষা। আরও সহজভাবে বললে সংস্কৃত ভাষা থেকেই বাংলা ভাষার ...