সাম্প্রতিক

সৌম্যর ফিফটি, সেই পথে তামিম, ছুটছে বাংলাদেশ

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে দুরন্ত সূচনা এনে দিয়েছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। দারুণ খেলছেন তারা। ইতিমধ্যে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে অষ্টম ফিফটি তুলে নিয়েছেন সৌম্য। সেই পথে আছেন তামিম। শেষ খবর পর্যন্ত বিনা উইকেটে ১০৭ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। সৌম্য ৫৪ ও তামিম ৪২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

এর আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঝারি পুঁজি পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টাইগার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬১ রান সংগ্রহ করেছে ক্যারিবিয়ানরা। অসাধারণ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তাদের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছেন শাই হোপ।

মঙ্গলবার ডাবলিনের ক্লোনটার্ফ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান নেন উইন্ডিজ দলপতি জ্যাসন হোল্ডার। ব্যাটিংয়ে নেমে দুরন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শাই হোপ ও সুনীল অ্যামব্রিস। উদ্বোধনী জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৮৯ রান। ব্যক্তিগত ৩৮ রানে অ্যামব্রিসকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দুর্দান্ত ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। পরের ওভারেই ড্যারেন ব্রাভোকে উইকেটের পেছনে মুশফিকের তালুবন্দি করে আউট করেন সাকিব আল হাসান।

তৃতীয় উইকেটে রোস্টন চেজকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হোপ। এ জুটিতে ১১৫ রান যোগ করেন তারা। পথিমধ্যে ১২৬ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন হোপ। এ নিয়ে সিরিজে ব্যাক টু ব্যাক তিন অংক ছোঁয়া ইনিংস পেলেন তিনি।

এরপর চেজকে ব্যক্তিগত ৫১ রানে মোস্তাফিজুর রহমানের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান মাশরাফি বিন মুর্তজা। এতে ভাঙে হোপ-চেজের শতরানের জুটি। খানিক পর টাইগার দলপতির বলে এক্সট্রা কভারে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সেঞ্চুরিয়ান হোপ। তার ব্যাট থেকে আসে ১৩২ বলে ১০৯ রান। সেই রেশ না কাটতেই ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক হোল্ডারকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান মাশরাফি।

এতে ধস নামে উইন্ডিজ ব্যাটিংয়ে। এর মধ্যে অভিষিক্ত শেন ডওরিচকে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তাকে ডিপ স্কয়ার লেগে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। এ জেরের মধ্যে জোনাথন কার্টারকে ফেরান মোস্তাফিজ। তবে এতে বোলারের না যতটা কৃতিত্ব। এর চেয়েও বেশি সাকিবের। ডওরিচের ক্যাচটি ছিল এককথায় অনন্য।

কিছুক্ষণ পর কেমার রোচকে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। শেষ দিকে রান তোলার চেষ্টা করেন অ্যাশলে নার্স। তবে ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। তাকে সাব্বির রহমানের তালুবন্দি করে দ্বিতীয় শিকার করেন মোস্তাফিজ। শেষ পর্যন্ত ২৬১ রান তুলতে সক্ষম হয় উইন্ডিজ। শ্যানন গ্যাব্রিয়েল শূন্য ও শেলডন কটরেল ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন।