সাম্প্রতিক

সাউদির পর ম্যাককালাম তান্ডবে নিউজিল্যান্ডের দাপুটে জয়

ওয়েলিংটনে ১২৪ রানের মামুলি টার্গেট তাড়া করতে নমে ম্যাককালামের ব্যাটিং তান্ডবে দাপুটে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২ উইকেট হারিয়ে ১২.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

শুক্রবার ভোরে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ১২৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের শুরু থেকেই কিউই বোলাররা হামলা চালিয়েছেন ইংলিশদের ব্যাটিংয়ের ওপর। দুই ওপেনার ইয়ান বেল (৮) ও মঈন আলি (২০) ফিরে যান দলের ৩৬ রানের মধ্যে। দুর্দান্ত বল করে দুজনকেই বোল্ড করেছেন সাউদি। এটা ছিলো সাউদিরই দিন।

এই ফাস্ট বোলারের সামনে ইংল্যান্ড দল তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে। ৩৩.২ ওভারে ওয়েলিংটনের ওয়েস্ট প্যাক স্টেডিয়ামে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসের চতুর্থ বোলার হিসেবে ইনিংসে ৭ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন টিম সাউদি। ৯ ওভার বল করে ৩৩ রানে ৭ উইকেট নেন তিনি।

গ্যারি ব্যালান্স ১০ রান করে বোল্টের শিকার হয়েছেন। জো রুট ও ইংলিশ অধিনায়ক মরগ্যান এরপর দলকে দিয়েছেন ৪৭ রানের জুটি। মরগ্যানকে (১৭) বিদায় করে জুটি ভাঙ্গেন ভেট্টোরি।

এরপরই তিনটি আঘাতে ইংল্যান্ডকে বড় বিপদের মুখে ঠেলে দেন সাউদি। দুই ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন টেলর (০), বাটলার (৩) ও ওকসকে (১)। শিকার করা প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানের মধ্যে ৪ জনকেই ক্লিন বোল্ড করেছেন সাউদি। একমাত্র জো রুট টিকে ছিলেন। একা লড়াই করার চেষ্টা করেছেন।

শেষটায়ই সাউদি লোয়ার অর্ডারের স্টুয়ার্ট ব্রড ও স্টিভেন ফিনকে তুলে নিলে ইংল্যান্ডের দুর্দশার ষোলকলা পূর্ণ হয়।

এদিকে বিপরিতে ১২৪ রানের মামুলি টার্গেট তাড়া করতে নেমে ম্যাককালামের ব্যাটিং তান্ডবে ১২.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌছে যায় নিউজিল্যান্ড। দুই উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান করে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। আউট হওয়ার আগে ২৫ বল খেলে ৭৭ রান করেন ম্যাককলাম। তার সঙ্গে গুপটিলের উদ্বোধনী জুটিতে রান আসে ১০৫।

এরপর রোজ টেইলরকে সাথে নিয়ে ব্যক্তিগত ৯ রানে ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন উইলিমানসন ক্যান। গুপটিল ২২ রানে আউট হন। দুটি উইকেটই নেন ইংল্যান্ডের ক্রিস ওয়েকস।

এদিকে নিউজিল্যান্ড জিতল শ্রীলংকা, স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। টানা তিন ম্যাচ জিতে ব্ল্যাক ক্যাপসরা ২০১৫ বিশ্বকাপে সবচেয়ে এগিয়ে।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আরেক স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়।

ইংল্যান্ড একাদশ : ইয়ান বেল, মইন আলি, গ্যারি ব্যালান্স, জো রুট, ইয়ন মরগান, জেমস টেলর, জস বাটলার, ক্রিস ওকস, স্টুয়ার্ট ব্রড, স্টিভেন ফিন এবং জেমস অ্যান্ডারসন।

নিউজিল্যান্ড একাদশ : মারটিন গাপটিল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, কেন উইলিয়ামসন, রস টেলর, গ্রান্ট ইলিয়ট, কোরে অ্যান্ডারসন, লুক রংকি, ড্যানিয়েল ভেট্টরি, অ্যাডাম মিলনে, টিম সউদি এবং ট্রেন্ট বোল্ট।