সাম্প্রতিক

বিশ্বকাপে দর্শকদের ভূমিকা নিয়ে বললেন, মাশরাফি

গ্যালারিতে বসে ভক্ত-সমর্থকরা কতটা শক্তি যোগাতে পারেন, বিদেশের মাটিতে খেলতে গেলে সেটা বুঝতে পারেন ক্রিকেটাররা। ঘরের মাঠের চেনা দৃশ্যই প্রতিপক্ষের মাঠে হয়ে ওঠে অচেনা। হই-হুল্লোর, চিৎকার-চেচামেচি সবই থাকে বিপক্ষে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটা মাঠের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলে। যে কারণে দর্শকদের প্রতি ক্রিকেটার বা অন্যান্য খেলোয়াড়রা সব সময়ই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও ভক্ত-সমর্থকদের অবদানের কথা মনে করলেন। সব সময়ের মতো জানালেন কৃতজ্ঞতা। একইসঙ্গে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পাশে থাকার জন্য দর্শক-সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানালেন তিনি। মাশরাফির বিশ্বাস, বরাবরের মতো বিশ্বকাপের মতো বড় আসরেও দর্শকদের সমর্থন-ভালোবাসা পাবে বাংলাদেশ দল।

সোমবার মিরপুরে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে দর্শকদের ব্যাপারে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘দর্শকদের বিষয়ে একটা কথাই বলব, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া আপনারা পুরো দলকে সাপোর্ট দেবেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুতে ম্যাচের পর ম্যাচ হেরেছি, তারপরও স্টেডিয়ামভরা দর্শক পেয়েছি। এখন দেশের বাইরে খেলতে যাচ্ছি। আশা করি সেখানেও আপনাদের সাপোর্ট অবিরাম থাকবে। আমরা জানি, সামনে রোজার ঈদ থাকলেও আপনারা ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। আমাদের পক্ষ থেকে ভালো করার ক্ষেত্রে কোনো আপস থাকবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে অনেক কথাই বলেন মাশরাফি। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেমি ফাইনাল খেলার সামর্থ্য থাকলেও কাজটা করা কঠিন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে আমাদের সেমি ফাইনাল যাওয়া খুব বড় চ্যালেঞ্জ। এর আগে যেটা বলতাম যে, সেমি ফাইনাল গেলে একটা একটা ম্যাচ। এখনও তাই বলতে হচ্ছে। সেমি ফাইনালে যদি যেতে পারি, অনেক বড় অর্জন হবে।’

অভিজ্ঞ-তারুণ্যের মিশেলে গড়া এই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জেতার সামর্থ্য আছে বলেও মনে করেন মাশরাফি। ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘বিশ্বকাপ জেতার সামর্থ্য অবশ্যই আছে। আবার কিছু নেতিবাচক ব্যাপারও আছে। হয়তো শেষ এশিয়া কাপ জিতলে এই ধরনের টুর্নামেন্ট কীভাবে জিততে হয় সেটার অভ্যাস হতো। এটার অভ্যাস থাকা খুব জরুরি। বড় টুর্নামেন্ট জিতলে পরে এই চাপ সামলে নেওয়া সহজ হয়। শিরোপা জেতা খুব কঠিন কিন্তু অসম্ভব বলব না।’