সাম্প্রতিক

ইংল্যান্ডে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল অস্ট্রেলিয়া

ডেভিড ওয়ার্নার এবং অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের কল্যাণে ওপেনিং জুটিতে ১২৩ রান পাওয়ার পরেও বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শেষদিকে ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩০০ রান পার করতে না পারলেও তাদের ২৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পেরেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) লর্ডসে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামা অস্ট্রেলিয়া ডেভিড ওয়ার্নার এবং অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের কল্যাণে ওপেনিং জুটিতে ১২৩ রান পেয়ে যায়। ওয়ার্নার ৬১ বলে ৬ চারের মারে ৫৩ রান করার পর মঈন আলীর করা ২৩তম ওভারের চতুর্থ বলে ওয়ার্নার স্ট্রোক খেলার পর ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা জো রুটের হাতে ধরা পড়লে এই জুটি ভাঙে।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে উসমান খাজাকে নিয়ে ফিঞ্চ ৫০ রানের জুটি গড়েন। খাজা ২৩ রান করে বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হলে এই জুটির অবসান হয়। খাজা অবশ্য আরও আগেই আউট হয়ে যেতে পারতেন। আদিল রশিদের বলে ব্যক্তিগত ৯ রানে থাকা এই ব্যাটসম্যানকে স্টাম্পিংয়ের অতি সহজ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি জস বাটলার।

ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চারের করা ৩৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ফাইন লেগে তা ঠেলে দিয়ে মিস ফিল্ডিংয়ের সুবাদে ২ রান নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৫তম এবং বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পান ফিঞ্চ। যদিও আর্চারের করা পরের বলেই ফিঞ্চ হুক শর্ট করলে ফাইন লেগে থাকা ক্রিস ওকসের হাতে ধরা পড়ে ফিরে যান।
মার্ক উডের করা ৩৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলটি ছিল ১৪৩ ঘন্টায় কিলোমিটার গতিসম্পন্ন। তার ওই বলে মাক্সওয়েল থার্ডম্যান দিয়ে বোল পাঠাতে চাইলেও পারেননি। বোল তার ব্যাটের কানায় লেগে জস বাটলারের গ্লাভসবন্দি হলে ম্যাক্সওয়েল ১২ রান করে বিদায় নেন।

ম্যাচের ৪২তম ওভারে আদিল রশিদের করা শেষ বলে লং অফে বল পাঠিয়ে এক রান নিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ। দ্বিতীয় রান নেয়ার জন্য স্মিথ দৌড় শুরু করলে তাকে সাড়া দিয়েছিলেন মার্কাস স্টইনিস। কিন্তু সবাইকে অবাক করে নিয়ে স্মিথ ফিরে আসেন। তখন স্টইনিসের আর ফেরার উপায় ছিল না। লং অফ থেকে জনি ব্যারিস্টো ফিল্ডিং করে বোল দেন আদিল রশিদকে। এ সময় রশিদ বোল ছুঁড়ে দেন উইকেটরক্ষক জস বাটলারের কাছে। আর স্টইনিস অনেক দূরে থাকা অবস্থায় বাটলার বোল নিয়ে স্টাম্প ভেঙে দিলে স্মিথের বোকামির বলি হয়ে ৩ জনের রিলে রান আউটে কাটা পড়ে মাত্র ৮ রান করেই স্টইনিসকে ফিরতে হয়।

স্টইনিসের পর নিজেও বেশিক্ষণ ক্রিকে টিকে থাকতে পারেননি স্মিথ। ওকসের বলে মারতে গিয়ে মিডউইকেটে আর্চারের তালুবন্দি হলে ৩৪ বলে ৩৮ রান করে তিনি হতাশ হয়ে ফিরে যান। তার কিছুপর প্যাট কামিন্স মাত্র ১ রান করে ওকসের বলে বাটলারের গ্লাভসে ধরা পড়ে ফেরেন। তবে শেষদিকে অ্যালেক্স ক্যারি ২৭ বলে ৫ চারের মারে ৩৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলায় ৭ উইকেটে ২৮৫ রান করে অস্ট্রেলিয়া।

ইংল্যান্ডের পক্ষে ক্রিস ওকস নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান জোফরা আর্চার, মার্ক উড , বেন স্টোকস এবং মঈন আলী।

x

Check Also

চুয়াডাঙ্গার কুলপালা ফুটলব মাঠে ফাইনাল খেলা ও পুরুষ্কার বিতরণ: নঈম জোয়ার্দ্দার

শাহাদাৎ হোসেন লাভলু: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের কুলপালা ফুটবল মাঠে ফাইনাল খেলা ও পুরুষ্কার ...