সাম্প্রতিক
আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে  বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু
আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে  বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে  বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে  বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে  বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু

আলমডাঙ্গা ফ্রেন্ডস ক্লাবের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিমের অধিনায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু।  সন্ধ্যায় ফ্রেন্ডস ক্লাব চত্তরে জাকারিয়া পিন্টু খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা যারা ফুটবল খেল অবশ্যই তোমাদের নিয়োমিত অনুশিলন করতে হবে। নেশামুক্ত খেলোয়াড় গড়ে তুলতে হবে। মনে রেখ, একজন খেলোয়াড় কখোনই অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকে না। আমি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অথিনায়ক হিসাবে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতে ফুটবল টিম গঠন করেছিলাম। আমি সর্বপ্রথম নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সাথে কোলকাতা ফুটবল দলের খেলা শুরু আগে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলাম। ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন নদীয়া জেলার জেলা প্রশাষক। সেদিন আমি জানতাম না এই দিনটি একদিন রেকর্ড হয়ে থাকবে। আজ আমি নিজেকে একজন গর্বিত খেলোয়াড় হিসেবে ভাবি। কারন আর কোনদিন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের কেউ অধিনায়ক হতে পারবে না। কেউ অধিনায়ক হিসেবে অধিনায়ক হিসেবে ভারতে মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে পারবে না। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধান মন্ত্রি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেন, দির্ঘ ৪৬ বছর পর প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনা আমাদের স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়দের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন তৎকালীন বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার ৩ জন ফেলোয়ার স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে ছিল। এরা হলেন কুষ্টিয়ার আলী ইমাম, পিয়ারা ও চুয়াডাঙ্গার মোমিন জোয়ার্দ্দার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী জোয়ার্দ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, কামরুজ্জামান, ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মহর, মীর আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, হাসান রেজা মুন্না, ববি হায়দার, সালা উদ্দিন গিলবার্ড, মেজবা, আজাদ, রিসাদ, সিয়াম, মানি, লালু, বাপ্পি, সালাম, রাসেদ, রিফাত, জুনমুন, শুভ, দলিল, কার্জন, তন্ময়, ইভান, মাহাবুব, মামুন, লিজন, রানা, জামিল, জাভেদ, মুকুল ও আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের দুই অংশের সভাপতি শাহ আলম মন্টু, হামিদুল ইসলাম আজম। জাকারিয়া পিন্টু ক্লাবের সভাপতির হাতে একটি মুলবান সম্পদ স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিমের সকল খেলোয়াড়ের স্বাক্ষরিত ও ছবি সম্বলিত একটি বিদেশী ফুটবল তুলে দেন। এছাড়াও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু স্বাক্ষরিত একটি প্যাড তুলে দেন এবং ক্লাবের উন্নয়নের লক্ষে ১ টি আবেদন তার কাছে তুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে খন্দকার শাহ আলম মন্টু ও খ. হামিদুল ইসলাম আজম একটি ফুলের তোড়া তুলে দেন।