সাম্প্রতিক

আইপিএলে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্রীতি জিনতার পাঞ্জাব!

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দ্বাদশ আসরের শুরুতে দুর্দান্ত সূচনাই পেয়েছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম সাত ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই জয় তুলে নিয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের দল। চার জয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে তালিকার পঞ্চম অবস্থানেও উঠে এসেছিল পাঞ্জাব।

শুরুর এই ছন্দ শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি পাঞ্জাব। পরবর্তী পাঁচ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জয়ের স্বাদ পেয়েছে প্রীতি জিনতার দল। বাকি চারটিতেই তাদের সঙ্গী হয়েছে পরাজয়। সব মিলিয়ে ১২ ম্যাচের মধ্যে মাত্র পাঁচটিতে জয় পেয়ছে তারা। এরই মধ্যে পাঞ্জাবের সামনে দেখা দিয়েছে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা।

সেই শঙ্কা সত্যি হলে আইপিএলের পরবর্তী আসরে পাঞ্জাবকে আর নাও দেখা যেতে পারে। এমনটা হলে চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসের পর তৃতীয় দল হিসেবে আইপিএলে নিষিদ্ধ হচ্ছে পাঞ্জাব। এমনটা জানিয়েছে ভারতের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

আইপিএলে পাঞ্জাবের যৌথ মালিক বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা ও বিখ্যাত শিল্পপতি নেস ওয়াদিয়া। সম্প্রতি মাদকদ্রব্য সঙ্গে রাখার অপরাধে ওয়াদিয়াকে গ্রেফতার করে দুই বছরের সাজা দিয়েছে জাপানের আদালত। ওয়াদিয়ার এমন গর্হিতকর কাজের জন্য আইপিএলের সুনাম নষ্ট হয়েছে বলে মনে করছে আয়োজকরা। এ কারণে আইপিএলে পাঞ্জাবের থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আয়োজকরা মনে করছে, পাঞ্জাবের ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্ণধার নেস ওয়াদিয়ার কারণে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) ও আইপিএলের সুনাম নষ্ট হয়েছে। এজন্য আইপিএল থেকে পাঞ্জাবকে নির্বাসনে পাঠানোর কথা চিন্তা করছেন বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা। এমনটাই দাবি করছে ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

আইপিএলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের আচরণে যদি মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে আইপিএলের সুনাম নষ্ট হয় তাহলে সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নির্বাসনে পাঠাতে পারবে আয়োজকরা। পাঞ্জাবের বিষয়টি আপাতত অনুসন্ধানের জন্য কমিশন গঠন করতে পারে বিসিসিআই। কমিশনের রিপোর্ট বোর্ডের প্রশাসক কাছে পাঠানো হবে। প্রশাসক কমিটি বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত রায় দিলে শাস্তি ঘোষণা করবে বিসিসিআই।

চলতি বছরের মার্চে ২৫ গ্রাম ক্যানাবিস রেসিনসহ ধরা পড়েন ওয়াদিয়া। এই ঘটনায় জাপানে তাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়। জাপানি পুলিশের কাছে ওয়াদিয়া নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিজের ব্যবহারের জন্যই ওই মাদক পকেটে রেখেছিলেন তিনি।