লগইন
খাল পুনঃখননে নতুন আশার আলো: কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে আসবে গতি।। পা‌নি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি
বড় করে দেখুন
সহ-বার্তা সম্পাদক আপডেট: ১১ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১:৩০ রাত ৪৪৮ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:

সংবাদ শুনুন

প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন

খাল পুনঃখননে নতুন আশার আলো: কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে আসবে গতি।। পা‌নি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

দেশের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে উন্নয়ন ছড়িয়ে দিতে আমরা দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি”—এই অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ইছেরদাড়ি খাল পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। এটি গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইরিগেশন খাল।

১১ এপ্রিল শনিবার দুপুরে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজ হাতে মাটি কেটে এ খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।


উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী বলেন—

“খাল খনন কর্মসূচি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেমন সরাসরি উপকৃত হবেন, তেমনি ভবিষ্যতেও এর সুফল ভোগ করবেন।—খাল কাটা কর্মসূচি ছিল সুদূরপ্রসারী একটি পরিকল্পনা। একটি পরিবার আত্মনির্ভরশীল হওয়া, একটি ব্যক্তি আত্মনির্ভরশীল হওয়া এবং সর্বোপরি একটি দেশকে স্বনির্ভর করে তোলা—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পূর্বে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছিল।


এটি শুধু একটি উন্নয়ন কার্যক্রমই ছিল না, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। খাল খনন কর্মসূচি নিজে উপস্থাপন ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সে সময় এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছিল। এই কর্মসূচির ফলাফল ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও দৃশ্যমান।


তিনি বলেন, কৃষিনির্ভর এই দেশে খাল খনন কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে এই কর্মসূচি যখন শুরু হয়েছিল, তখন এটি সাধারণ মানুষের কাছে একটি বড় চাহিদায় পরিণত হয়েছিল। মানুষ বারবার প্রশ্ন তুলত—কেন খাল খনন হচ্ছে না, কেন এই উদ্যোগ বন্ধ হয়ে গেল? দীর্ঘদিন খাল খনন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আজ আমরা এর ভয়াবহ পরিণতি দেখতে পাচ্ছি।


খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে, পলি জমে নাব্যতা হারিয়েছে। অনেক জায়গায় খাল দখল করে মাটির বাঁধ দিয়ে চাষাবাদ হচ্ছে, কোথাও দোকানপাট, কোথাও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। এমনকি কোথাও কোথাও সরকারি স্থাপনাও খালের জায়গায় নির্মিত হয়েছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রায় ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়েছে—যা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।


আমরা আশা করি, যথাযথভাবে এই খাল খনন সম্পন্ন হলে খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং মানুষের উপকারে আসবে, ইনশাআল্লাহ। এই প্রকল্পে যে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে—ধরা যাক প্রায় চার কোটি টাকা—তার একটি অংশ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যয় হবে এবং একটি বড় অংশ শ্রমনির্ভর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি ৪০-৫০ শতাংশ কাজ শ্রমনির্ভর পদ্ধতিতে করা হয়, তাহলে স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে, গ্রামে টাকা প্রবাহ বাড়বে।


আলমডাঙ্গা বা বেলগাছি ইউনিয়নের মতো এলাকায় এই অর্থ ব্যয় হলে স্থানীয় মানুষের আয় বাড়বে, বাজার সচল হবে। অন্যদিকে, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জমির উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।


তিনি আরও বলেন, একটি খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হয়—তা আমরা বাস্তবেই দেখেছি। এই কর্মসূচির সুফল শুধু তাৎক্ষণিক নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশ—সবখানেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।


দূরদর্শী চিন্তা ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। তাঁর এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল—গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং দেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নেওয়া। তাঁর এই কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ এক সময় স্বনির্ভরতার শক্ত ভিত পেতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে দেশনায়িকা খালেদা জিয়া নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। একজন সাহসী ও দৃঢ়চেতা নারী হিসেবে তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে বারবার নিজের স্বার্থকে উপেক্ষা করে এগিয়ে এসেছেন।


দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছ চাষ সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে এসেছে। একটি খালকে কেন্দ্র করে নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার মাধ্যমে যে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব—এই কর্মসূচি তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। বর্তমানে এই খাল খনন কর্মসূচি আবারও মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হয়ে উঠেছে। আন্দোলন ও গণদাবির প্রেক্ষিতে এই বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। রাজনীতির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান-এর মতো নেতৃবৃন্দও এই কর্মসূচির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এটিকে পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁরাও বিশ্বাস করেন, এই জনপ্রিয় কর্মসূচিকে ফিরিয়ে এনে গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রামবাংলার উন্নয়নে কাজ করেছিলেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করেই বর্তমান নেতৃত্বও গ্রামীণ জনগণের কাছে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়ে যায়—সেটি আমাদের সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে।


তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা, নাকি উদ্বোধনের পর থেমে গেছে—সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা অতীতে দেখেছি—অনেক প্রকল্প উদ্বোধন হয়েছে, কিন্তু কাজ বাস্তবায়ন হয়নি। বরং সেই অর্থ অপচয় হয়েছে বা দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হয়েছে। এ ধরনের রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলতে দেওয়া যাবে না। এজন্য আমাদের সবাইকে আরও সজাগ, দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।


এই সময়কে আমাদের একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে এবং সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করতে হবে। কারণ আমরা অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছি। এই পথচলায় আমাদের অনেক সহকর্মী নির্যাতিত হয়েছেন, কেউ গুমের শিকার হয়েছেন, কেউ জীবন দিয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগ আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।


আজ গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে—পার্লামেন্টে সরকার ও বিরোধী দল নিজেদের মতামত তুলে ধরছে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু যদি আমরা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিই, তাহলে এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। তাই শুরু থেকেই মাঠ পর্যায়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।


একজন মন্ত্রী, একজন এমপি যদি দায়িত্বশীল থাকেন, তাহলে নিচের স্তরের কর্মকর্তারাও সজাগ থাকবে। এই সচেতনতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি—সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিকেই কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেমন কৃষিঋণে স্বস্তি প্রদান। পাশাপাশি নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ইত্যাদি। আমরা বিশ্বাস করি না যে শুধু মেগা প্রজেক্ট করে শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন করলেই হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো—গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই—বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে যাক।


দেশের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে উন্নয়ন ছড়িয়ে দিতে আমরা দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থা উন্নয়ন—এসব ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চাই। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়—সবার আগে বাংলাদেশ, সবার আগে দেশের মানুষ।”


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পশ্চিমা জোন ফরিদপুরের প্রধান প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ, পিডিজিকে সেচ প্রকল্পের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদ, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাজিম উদ্দিন, মাথাভাঙ্গা নদী বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায়, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ সাঈদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( রাজস্ব ও সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।


আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তারের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন

উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তার হোসেন জোয়াদ্দার, সাধারন সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, জেলা জামায়াতের আইন ও আদালত বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক শফিউল আলম বকুল, সেক্রেটারি মামুন রেজা, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, ইউপি চেয়ারম্যান তবারক হোসেন, মিনাজ উদ্দিন বিশ্বাসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী।



সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে লগইন করুন

লগইন করুন

সর্বশেষ সংবাদ

প্রশাসনে দুর্নীতি ও অনিয়ম রুখতে বদলি-পদায়নে লটারি পদ্ধতি চালু

৩৭ সেকেন্ড আগে
প্রশাসনে দুর্নীতি ও অনিয়ম রুখতে বদলি-পদায়নে লটারি পদ্ধতি চালু

প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

৫২ সেকেন্ড আগে
প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

মেহেরপুরেও ছিল তার সাংগঠনিক নেতৃত্ব

৫৯ মিনিট আগে
মেহেরপুরেও ছিল তার সাংগঠনিক নেতৃত্ব

মেহেরপুরের গাংনীতে ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি হাসিবুল ইসলাম আটক

১ ঘন্টা আগে
মেহেরপুরের গাংনীতে ৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি হাসিবুল ইসলাম আটক

মেহেরপুরে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, অপরিবর্তিত মাছ ও মাংসের বাজার

২ ঘন্টা আগে
মেহেরপুরে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, অপরিবর্তিত মাছ ও মাংসের বাজার

মেহেরপুর হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার জেলা বিএনপি

২ ঘন্টা আগে
মেহেরপুর হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার জেলা বিএনপি

মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৩ ঘন্টা আগে
মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ মন্ত্রী মঈন খানকে দেখতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

১৪ ঘন্টা আগে
এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ মন্ত্রী মঈন খানকে দেখতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

ইরানে পুনরায় সামরিক হামলার ইঙ্গিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের, সর্বাত্মক জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘন্টা আগে
ইরানে পুনরায় সামরিক হামলার ইঙ্গিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের, সর্বাত্মক জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের

দামুড়হুদার জুড়ানপুরে আল মাসুম বাবুর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, জনজোয়ারে মুগ্ধ প্রার্থী

১৫ ঘন্টা আগে
দামুড়হুদার জুড়ানপুরে আল মাসুম বাবুর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, জনজোয়ারে মুগ্ধ প্রার্থী

নোটিফিকেশন চালু করুন

সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো সবার আগে পেতে নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন।