আলমডাঙ্গা রামদিয়ার পুরাতন বটতলা থেকে বাওড় সড়কে স্থায়ী জলাবদ্ধতা: ড্রেন না থাকায় বিপাকে দুই শতাধিক পরিবার
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
আলমডাঙ্গা রামদিয়ার পুরাতন বটতলা থেকে বাওড় সড়কে স্থায়ী জলাবদ্ধতা: ড্রেন না থাকায় বিপাকে দুই শতাধিক পরিবার
শরিফুল ইসলাম রোকন: আলমডাঙ্গা উপজেলার রামদিয়া গ্রামের পুরাতন বটতলা থেকে বাওড় পর্যন্ত সড়কে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় ২০০ পরিবারের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা এই সড়কটি বর্তমানে কাদা ও পানিতে ডুবে থাকায় প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে হেরিংবোন পদ্ধতিতে নির্মিত সড়কটি বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পুরো সড়কে পানি জমে থাকে। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, কৃষক ও বৃদ্ধদের প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের দুই পাশের অনেক বাসিন্দা নিজেদের বাড়ির আঙিনা ও জমি মাটি ফেলে উঁচু করে নেওয়ায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কিছু স্থানে রাস্তার একেবারে পাশ ঘেঁষে বেড়া নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে গেছে। ফলে বাড়িঘর ও আশপাশের জমির পানি এসে রাস্তায় জমা হচ্ছে। সড়কটিতে কোনো কার্যকর ড্রেন বা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়। কাদা ও পানির কারণে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় পথচারীরা পিছলে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ড্রেন নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি, যাতে এলাকাবাসী স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন, প্রায় তিন বছর আগে হেরিংবোন পদ্ধতিতে সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাস্তার দুই পাশের অনেক বাসিন্দা তাদের বাড়ির উঠান ও জমি উঁচু করে নেওয়ায় সড়কটি নিচু হয়ে পড়েছে। এ কারণে বৃষ্টির পানি রাস্তায় জমে থাকে এবং সহজে নিষ্কাশন হতে পারে না। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সড়ক সংস্কার অথবা প্রয়োজনীয় স্থানে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাদা জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটানো হবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় ফিরোজা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও লোকমান হোসেন প্রাইভেট হাসপাতালে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা : দুইটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
১৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব
১৩ ঘন্টা আগে
দামুড়হুদায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আ.লীগ নেতা মামুন গ্রেপ্তার
১৬ ঘন্টা আগে