আলমডাঙ্গা পারকুলার মাদক ব্যবসায়ী রফিকুলকে মাদকসহ পুলিশে দিল এলাকাবসি

আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা আবাসন প্রকল্প এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামকে ইয়াবা ও ট্যাপেনটাডলসহ আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় তার কাছ থেকে ১০২ পিস ইয়াবা ও ৩৯ পিস ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পারকুলা এলাকার আস্তাপাড়া মহল্লায়।
আটক রফিকুল ইসলাম (৩৩) কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা আবাসনের বাসিন্দা মৃত আকবার আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা আবাসন প্রকল্পটি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা ও কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পাশের উপজেলার এলাকায় পালিয়ে যায়। এ কারণে একাধিকবার অভিযান চালিয়েও পুরোপুরি মাদক ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ট্যাপেনটাডলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে আসছিল। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন সহযোগী রয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
মঙ্গলবার রাতে রফিকুল ইসলাম তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে পারকুলা আবাসনের আস্তাপাড়ায় একজনকে মারার জন্য যায়। সেখানে উপস্থিত হলে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসী রফিকুল ইসলামকে ধরে ফেলে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১০২ পিস ইয়াবা ও ৩৯ পিস ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পাইকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল মতিন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রফিকুল ইসলামকে উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতার করে আলমডাঙ্গা থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাঈল বলেন, আলমডাঙ্গা পৌর এলাকা ও উপজেলার কোথাও মাদকের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। মাদক নির্মূলে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে।











