চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে মাসে ১ কোটি টাকা চাঁদাবাজী হয় বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মধু

চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মাসপ্রতি প্রায় এক কোটি টাকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছেন বিএনপি নেতা ও ক্রীড়া সংগঠক মিজানুর রহমান মধু। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত এই নেতার বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্টটি এখন জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা বিষয়ে বিতর্কিত এবং সাহসী পোস্টের জন্য পরিচিত মধু এবার সরাসরি সরকারি দপ্তরের আর্থিক অনিয়মের দিকে আঙুল তুললেন।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে মিজানুর রহমান মধু দাবি করেন, চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম ও চাঁদাবাজি চলছে। তার ভাষ্যমতে, এই দুই দপ্তর থেকে প্রতি মাসে অবৈধভাবে প্রায় এক কোটি টাকা লেনদেন হয়। পোস্টের শেষ অংশে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, তার দেওয়া এই তথ্য '১০০% সত্য'। তবে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কারা আদায় করছে বা দুর্নীতির সাথে সুনির্দিষ্টভাবে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি।
দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে পোস্ট করে আলোচনায় থাকা মধুর এই অভিযোগটি স্থানীয় প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সাধারণ সেবাগ্রহীতারা প্রায়শই ভূমি অফিসে হয়রানির অভিযোগ করে থাকলেও, একজন রাজনৈতিক নেতার এমন নির্দিষ্ট অংকের টাকার দাবি সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ তার এই সাহসিকতাকে সমর্থন জানালেও, যথাযথ প্রমাণ ছাড়া এমন মন্তব্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
অন্যদিকে, এই অভিযোগের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, যেহেতু অভিযোগটি সরাসরি বিপুল পরিমাণ অর্থের দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট, তাই জনস্বার্থে এর সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।













