উপজেলার নির্বাহী অফিসারের সাথে আলমডাঙ্গা ব্যায়ামাগারের সদস্যবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাত

আলমডাঙ্গা উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তারের সাথে সৌজন্য মতবিনিময় করেছেন আলমডাঙ্গা ব্যায়মাগারের সদস্যবৃন্দ। ২৯ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে মতবিনিময় সভায় আলমডাঙ্গা ব্যামাগরের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা ব্যায়ামাগারের সভাপতি ইকবাল হোসেন, সদস্য হামিদুল ইসলাম, পিন্টু রহমান, প্রফেসর মিজানুর রহমান, ফিজিও থেরাপিস্ট মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল, মঞ্জুর রহমান , তাইফু, সাদ্দাম ডন, আমিনুল হক প্রমুখ।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার বলেন আমি আপনাদের কথা শুনেছি, আপনারা প্রতিদিন আলমডাঙ্গা কলেজ মাঠে শরীর চর্চা করেন, ছোট বড় সব ধরনের মানুষ আপনাদের সাথে একত্রিত হয়ে শরীর গঠনে ভূমিকা রাখছেন। আপনাদের যেকেন ভালো কাজের সাথে আমি সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি।
ব্যায়ামাগারের সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা ১৯৮০ সালে ব্যায়ামাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলাম,তৎকালীন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মকবুলার রহমান দেড় লাখ টাকা দিয়েছিলেন,আমরা ঘর নির্মান করেছি,পরবর্তীতে জেলা পরিষদ থেকে টাকা দিলে পুনরায় সংস্কার করেছি। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার মোট অংকের টাকা দিয়ে আলমডাঙ্গা বাবুপাড়ার সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের একজনকে দিয়ে জাল দলিল করে সেটা জেলা প্রশাসকের অফিসে দরখাস্ত করে কাউকে না জানিয়ে একতরফা রায় নিয়ে জায়গা দখল করে ব্যায়মাগার ভেঙ্গে দেয়। যেকারনে আলমডাঙ্গার সকল মহলের মানুষ আমাদের পক্ষে দাড়ায়।
ভুমি দস্যু খ্যাত ব্রাইট মডেল স্কুলের পরিচালক জাকারিয়া হিরো নানান তালবাহানা করে আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের পাশে দুই নাম্বারি করে কলেজ চালু করেছে, এবিষয়ে যশোর বোর্ডে দরখাস্ত দিলে বোর্ড পরিদর্শন করেছেন,এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রতিবেদন করে জমা দিতে বলেছেন।
নির্বাহী অফিসার জানান আগের নির্বাহী অফিসার যদি রিপোর্ট দিয়ে যান তাহলে ভালো, নাহলে আমি করে পাঠিয়ে দেব।তিনি ব্যায়মাগারে যাবেন বলে জানান।আলমডাঙ্গা শহীদ মিনারের জমি দখল করে পয়ঃনিস্কাশনের টাঙ্কি করেছে যা অপসারণের দাবী জানানো হয়েছে। তিনি সরেজমিন তদন্ত করবেন বলে জানান।












