চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে রেলওয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ এটি এখন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়েছে আহতের সংখ্যা, ঝুঁকিতে হাজারো যাত্রীর জীবন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুলনা রেলওয়ে জেলা পুলিশ মাঠে নেমেছে ব্যাপক প্রচারণা নিয়ে।
রেলওয়ে পুলিশের প্রকাশিত সচেতনতামূলক লিফলেট-ব্যানারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে “এটি ছেলের খেলা নয়, হত্যাকাÐ! বন্ধ করি এ হত্যাকাÐ।”নিরাপদ রেল ভ্রমণের স্বার্থে পাথর নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের এসআই জগদীশ চন্দ্র বসু জানায়, রেল আইন অনুযায়ী চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ গুরুতর দÐনীয় অপরাধ। ১৮৯০ সালের রেলওয়ে অ্যাক্টের ১২৭ ও ১২৮ ধারায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদÐ বা অর্থদÐের বিধান রয়েছে। পাথর নিক্ষেপের ফলে যাত্রী আহত হলে ঘটনাটি প্রাণনাশের চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। পাথর নিক্ষেপকারী বা তাদের সহায়তাকারীদের সম্পর্কে তথ্য (০১৩২০-১৩৮৪৮৮)দিলে রেলওয়ে পুলিশ গোপনীয়তা রক্ষা করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
রেলওয়ে পুলিশের বিতরণকৃত পোস্টারে এক আহত যাত্রীর ছবি ব্যবহার করে ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশ বলছে, রেল পথে দিনে ও রাতে, চলতে চাই নিরাপদে। পাথর ছোড়া বন্ধ করি, নিরাপদে রেল ভ্রমণ করি।
রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় থানা পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও স্কুলশিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করেছে রেলওয়ে পুলিশ। পাশাপাশি মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, জনসমাবেশসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
সবশেষে তিনি বলেন, পুলিশ-জনতা ভাই ভাই, পাথর নিক্ষেপকারীর রক্ষা নাই।












