হঠাৎ থেমে গেল কনকের হৃদস্পন্দন, শোকের ঢেউ আলমডাঙ্গা শহরে

আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন আলম কনক (৪৮) আর ফিরলেন না। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। রোববার রাত ৮টার দিকে পৌর এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় পরিবার, স্বজন আর অসংখ্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধার মন।
পরিবার জানায়, কয়েক মাস ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন তিনি। ঢাকাসহ নানা হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি। রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত তাকে আলমডাঙ্গার আয়েশা পার্কের ডক্টর’স কেয়ার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। কয়েক মিনিট পরই সবার সামনে নিভে যায় তাঁর জীবন প্রদীপ।
কোর্টপাড়ার মৃত মাহবুবুর রহমানের ছেলে কনক বর্তমান বসবাস করতেন স্টেশনপাড়ায়। স্ত্রী, একমাত্র ছেলে, এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজনকে রেখে চলে গেলেন তিনি। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে আলমডাঙ্গা–চুয়াডাঙ্গা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজনৈতিক মহলেও নেমেছে ধূসর নীরবতা।
কনকের মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ গভীর শোক জানিয়ে বলেন, “শৈশব থেকেই তিনি দলের প্রতি অটল ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
এ ছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন—উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দিন মোল্লা।
অনুরূপ শোক জানিয়েছেন সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি শহিদুল কাউনায়েন টিলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলাম, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান আসিরুল ইসলাম সেলিম, উপজেলা জামায়াতের আমির প্রভাষক শফিউল আলম বকুল, সেক্রেটারি মামুন রেজা ও পৌর আমীর মাহের আলী।
কনকের হঠাৎ চলে যাওয়া যেন সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিল—জীবন কতটা ক্ষণিক, আর বিদায় কতটা নির্মম।












