৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেলেন চুয়াডাঙ্গার তরুণ মতিউর রহমান স্বাধীন

প্রতিনিধি :
সাম্প্রতিকী ডেক্স
আপডেট :
নভেম্বর ১, ২০২৫
121
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
ছবি : 

স্বপ্ন, কঠোর পরিশ্রম ও গভীর সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি হলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার তরুণ মেধাবী মতিউর রহমান স্বাধীন। শিক্ষা, তরুণ নেতৃত্ব ও মানবকল্যাণমূলক কর্মযজ্ঞে তাঁর অনবদ্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন জাতীয় মর্যাদাপূর্ণ “শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫”

পরিবর্তনের সূচনা যে আত্ম-উন্নয়ন থেকেই হয়, সেই বিশ্বাস ধারণ করে স্বাধীন দীর্ঘদিন ধরে তরুণ সমাজকে নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা উন্নয়ন, বিতর্কচর্চা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিকাশ, মানবিক সহায়তা, এবং দারিদ্র্য বিমোচন— এমন বহু ক্ষেত্রেই তিনি রেখে চলেছেন এক উজ্জ্বল স্বাক্ষর। তাঁর নেতৃত্বে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ ক্যাম্পেইন, শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার সচেতনতা ও নেতৃত্ব বিকাশ কর্মশালা, সামাজিক সচেতনতা ক্যাম্পেইন, এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাসহায়তা কার্যক্রম সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

গত শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই) বিকেল ৫টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচা কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক-এর ১৫২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানেই সারা দেশের ৬৪ জেলার ৬৭ জন গুণী ব্যক্তির সঙ্গে মতিউর রহমান স্বাধীনকেও তাঁর নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পদক, সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলা স্মৃতি পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও শেরে বাংলার দৌহিত্র, সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মুর্শেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, ট্রেজারার, ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়। এটিএন বাংলার জনপ্রিয় উপস্থাপিকা তানিয়া আফরিন প্রাণবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির পর এক আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে মতিউর রহমান স্বাধীন বলেন—

"এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়— এটা সমাজ পরিবর্তনে বিশ্বাসী সকল তরুণের। আমি চাই, আমাদের প্রজন্ম শিক্ষা, মানবতা ও আদর্শে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ ও সমাজের জন্য অনুকরণীয় ভূমিকা রাখুক। সততা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে গড়ে উঠুক তারুণ্য।"

তিনি আরও যোগ করেন, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন প্রজন্মের প্রেরণার উৎস, যাঁর জীবনবোধ, মানবসেবার দর্শন ও নেতৃত্বের আদর্শ তাঁকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। তিনি আশা করেন, তাঁর প্রজন্ম যেন সেই চেতনায় বড় হয়— যা মানুষকে ভালোবাসতে শেখায় এবং সমাজকে বদলে দিতে শেখায়।

চুয়াডাঙ্গার এই তরুণ এখন শুধু নিজের জেলার নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের কাছেও এক প্রেরণার প্রতীক। তাঁর মতো তরুণদের হাত ধরেই এগিয়ে চলছে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন যাত্রা।

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram