সাম্প্রতিক

৩য় শ্রেণির শিশুকন্যাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কাঁচি দিয়ে মলদ্বার কেটে দেওয়ার অভিযোগ


৩য় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ধারালো কাঁচি দিয়ে মলদ্বার কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার পারকুলা গ্রামের ওয়াসিম নামের এক নরপশুর বিরুদ্ধে। আম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে এ নারকীয় ঘটনা ঘটায় ওই নরপশু। নির্যাতিত শিশুকন্যাটি গত ৮ দিন ধরে হাসপাতালের বেডে কাৎরাচ্ছে। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের পারকুলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ৯ বছরের শিশুকন্যা গ্রামের বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণিতে পড়ে। গত ১১ এপ্রিল দুপুরের পর শিশুকন্যাটি একই গ্রামের অন্য পাড়ায় অবস্থিত দাদীবাড়ি যায়। বিকেলে ঝড় উঠে। ঝড়ের পর বাড়ি ফিরছিল। সে সময় একই গ্রামের জসিম উদ্দীনের ছেলে ওয়াসিম (২৪) তাকে আম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে পাজামা খুলতে সচেষ্ট হয়। সে সময় শিশুকন্যাটি বুদ্ধি করে লাথি ছুড়লে তা নরপশুর অ-কোষে লাগে। প্রচন্ড ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠে সে। এরপর পর সে হাতের কাছে থাকা ধারাল কাঁচি দিয়ে পেছন দিক থেকে কোপ বসায় শিশুকন্যাটিকে। এতে শিশুকন্যার মলদ্বারের পাশে গর্ত হয়ে অনবরত রক্ত ঝরতে থাকে। শিশুটির কান্নায় ছুটে আসে নরপশুর মা। ওই অবস্থায় শিশুটিকে ঘর থেকে বের হতে দেয়নি। চেষ্টা করেছে রক্ত বন্ধের। নির্যাতনের শিকার শিশুটি জানায়, সে সময় নরপশু ওয়াসিমের মা বার বার বলছিল – মরে গেলে গর্তে ফেলে দিয়ে মাটি চাপা দিয়ে রাখবে। কিছুতেই রক্ত বন্ধ না হলে ওয়াসিমের বড় ভাই শিশুকন্যাটিকে বাড়িতে এগিয়ে দিয়ে আসে। ওই রাতেই শিশুকন্যাটিকে আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানেও রক্ত বন্ধ না হলে নেওয়া হয় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। বেশ কয়েকদিন সেখানে চিকিৎসার পর গত ৩ দিন পুনরায় আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। শিশুকন্যাটি এখন হাসপাতালের বেডে শুয়ে যন্ত্রনায় ছটফট করছে। এঘটনায় শিশুটির বাপ বাদী হয়ে গত পরশু রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছে।
অন্যদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নরপশু ওয়াসিমের পরিবার প্রভাবশালীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।