সাম্প্রতিক

মুখে আন্তরিকতা, অন্তরে আছে কি?

তাঁর কারণে বাংলাদেশের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা চুক্তি হয়নি। শুধু তিস্তা চুক্তিই নয়, বাংলাদেশের অনেক বিষয়েই তিনি বাঁকা চোখে দেখেছেন। কিন্তু সেই তিনিই ঢাকায় এসে বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তরিকভাবেই কাজ করতে চান।
তিনি হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনদিনের ঢাকা সফরে এসে মমতার ‘আন্তরিকতাপূর্ণ’ এই বক্তব্যকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
তারা বলছেন, ঢাকা সফরে এসে তিনি যে আন্তরিকতা দেখাচ্ছেন তাতে মনে হচ্ছে এটা তার আসল রূপ নয়। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, সারদা কেলেঙ্কারির পাশাপাশি খাগড়াগড় বিস্ফোরণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচণ্ড বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন। খাগড়াগড় বিস্ফোরণে তৃণমূলের যোগসাজশের অভিযোগ তুলে আগেই সরব হয়েছিল বিজেপি। এসব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বাঁকা নজরে ছিল মমতা। তার উপর তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের চাপ তো ছিলই। সবকিছু মিলিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ চাপেই ছিলেন।
তাদের অভিমত, এতো চাপের আগে ভারতের কংগ্রেস শাসনামলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মমতার সম্পর্ক মধুর। সেই সময় তিনি বাংলাদেশের দাবির বিষয়ে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন। আর এখন সম্পর্কের ‘ভ্যালেন্স’ করতে ঢাকামুখী হয়েছেন মমতা।
জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলাওয়ার হোসেন ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে বিরোধিতা করতে হয়। আবার রাজনৈতিক কারণেই বন্ধুত্ব করতে হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ। তিনি হয়তো তার রাজনৈতিক কৌশলের কারণেই এমন আচরণ করছেন। তবে তিনি যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের চাপে নেই সেটা তো বলা যাবে না। সবকিছু মিলিয়ে হয়তো তার বোধোদয় হয়েছে- ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব ঘোচানোর এখনই সময়।’
x

Check Also

নিজ পল্লী নিবাসে প্রস্তুত এরশাদের কবর

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সমাধি ...