সাম্প্রতিক

বিচারপতিদের উপর নির্ভর করছে পিলখানার বিচার

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত খুনীদের দণ্ড কার্যকর বিচারপতিদের উপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তিনি বলেন, আপিল শুনানির কার্যক্রম যে গতিতে এগুচ্ছে আশা করছি ৬ মাসের মধ্যে খুনীদের দণ্ড কার্যকর হবে। তবে এটা আমার অনুমান। সব নির্ভর করে বিচারপতিদের উপর।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ছয়বছর অতিবাহিত হলেও রায় কার্যকরে বিলম্বের কারণ হিসেবে মাহবুবে আলম বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর এটা আবার আপিল বিভাগে যাবে। তারপর আপিল বিভাগ বিস্তারিত শুনবে। সেক্ষেত্রে রায় কার্যকর করতে কত দিন লাগবে, সেটা বলা কঠিন।
তবে হাইকোর্টের চাইতেও আপিল বিভাগে কম সময় লাগবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন  তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে বিডিআর জওয়ানদের বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা অফিসার, ৯ জন বিডিআর, ৭ জন সাধারণ মানুষ ও ১ জন সেনা সদস্য নিহত হন।
নিম্ন আদালতে এ ঘটনায় দন্ডবিধির আওতায় বিচার করার পর ডেথ রেফারেন্স ও ফৌজদারি আপিল শুনানির জন্য বর্তমানে সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে মামলা।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে মহানগর তৃতীয় দায়রা জজ ড. আক্তারুজ্জামান পিলখানা হত্যাকান্ডের রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ১১৯টি ফৌজদারি আপিল, ১৪১টি জেল আপিল ও ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার জন্য একটি ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে দায়ের করা হয়েছে। খালাসপ্রাপ্ত ২৭৮ জনের মধ্যে ৬৯ জনের বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
বিচারিক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ৬৫৪ জন ও আসামিদের পক্ষে ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে ৫৩৮ জন তাদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পেশ করেছেন।