সাম্প্রতিক

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যা বলছে পাক-ভারত মিডিয়া

রাত পোহালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামীকাল নির্বাচন সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মহলের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৌতূহলও যথেষ্ট।

কয়েক দিন ধরেই ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশের নির্বাচনের খবর খুব গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের নির্বাচনগুলোয় বিএনপি প্রথাগতভাবে ভারত বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিয়েছে।

২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করার পর দিল্লি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে পুনর্নির্বাচনে কোনো চাপ দেয়নি। উল্টো হাসিনার জয়কে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বিএনপির অনেকে ওই নির্বাচন বর্জন করাকে ‘গুরুতর ভুল’ বলে মনে করেছেন।

ভারতের একজন কূটনীতিক ঢাকায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, এটি খুবই চমকপ্রদ যে নির্বাচনী প্রচারের সময় দুটি প্রধান দল ভারতের কথা উল্লেখ করেনি।

হিযবুত তাহরির মতো একটি ইসলামী গোষ্ঠী ভারতবিরোধী কিছু বক্তব্য দেয়া ছাড়া বিএনপি বা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা নির্বাচনী প্রচারে ভারতবিরোধী অনুভূতি নিয়ে কোনো কথা বলেননি। জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিগত নির্বাচনগুলোয় শেখ হাসিনাকে ‘ভারতমুখী’ বলে প্রচার চালাতেন। খালেদা জিয়া এখন দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দি রয়েছেন।

ভারতীয় ওই কূটনীতিক আরও বলেন, ‘আমি মনে করি-তারা (বিএনপি) হয়তো বুঝতে পেরেছে ভারতকে দূরে সরিয়ে রেখে বিএনপির কোনো লাভ হয়নি।’

পাকিস্তানের দ্য নেশন পত্রিকা বলেছে-জনবিক্ষোভকে ভূলুণ্ঠিত করতে পাকিস্তানকে জুজুর ভয় হিসেবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশ।

এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনটিতে সম্প্রতি উদ্ধারকৃত টাকার সঙ্গে বিএনপি ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাকে জড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে- ভারতপন্থী বাংলাদেশ সরকার জনবিক্ষোভ এড়ানোর স্বার্থে পাকিস্তানকে জুজুর ভয় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না