সাম্প্রতিক

‘প্রাণে বাঁচতে চাইলে তিন দিনে আত্মসমর্পণ করো’

প্রাণে যদি বাঁচতে চাও, তিন দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ করো’—চুয়াডাঙ্গার মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি এভাবেই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। গতকাল সোমবার চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলনকক্ষে এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তরিকুল ইসলাম ও জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ এবং চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা, আলমডাঙ্গা ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পরিদর্শকেরা (তদন্ত ও অপারেশন)।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বলেন, জেলায় পুলিশের বিশেষ শাখার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা ২৩৮। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৪৩ জন, আলমডাঙ্গায় ৪২, দামুড়হুদায় ৪২ ও জীবননগরে ১১ জন। এসব ব্যবসায়ীর বেশির ভাগকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযানেই গত ৬ মাসে ৭০ জন গ্রেপ্তার কয়েছে। অবশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে অভিযান চলছে। তিনি বলেন, মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখাবে পুলিশ।
৫ নাগরিক, ১০ পুলিশ পুরস্কৃত
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে পুলিশকে সহযোগিতা ও সাহসী ভূমিকা রাখায় পাঁচজন সাহসী নাগরিক ও ১০ জন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। সাহসী নাগরিকেরা হলেন চুয়াডাঙ্গা শহরের মুক্তিপাড়ার টুটুল হোসেন, পৌর এলাকার নীলারমোড়ের মাহমুদুন নবী, সদর উপজেলার কালুপোল গ্রামের বরকত আলী, দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার ইটভাটার মালিক শহীদুল ইসলাম ও আবদুল মালেক।
সাহসিকতার পুরস্কার পেয়েছেন দামুড়হুদা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল খালেক, উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার, আমজাদ হোসেন ও মেজবাহ উর রহমান, আলমডাঙ্গা থানার এসআই মহব্বত আলী ও জিয়াউর রহমান এবং কনস্টেবল সিরাজুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলার হাট বোয়ালিয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দীন এবং দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই সাইদুর রহমান।