সাম্প্রতিক

প্রতিবারের মতো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে আনন্দঘন দিন কাটালঃ ইয়ুথ’স ভয়েস

রাজধানীর সেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ’স ভয়েস প্রতিবারের মতো প্রজেক্ট চনা পিয়াজু (পিসিপি) উদযাপন করেছে। এ বছর প্রকল্পটির সহযোগী পার্টনার হিসেবে ছিল দারাজ বাংলাদেশের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট ‘আমার দারাজ আভা’। 

২৮ মে মঙ্গলবার পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার হল ২৪ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজনটি সম্পন্ন হয়। প্রতিবছর রমজানের মতো এবারের আয়োজনেও অসংখ্য নিষ্পাপ ও অবহেলিত শিশুরা অংশগ্রহণ করে। 

পিসিপির দিন এই অবহেলিত নিষ্পাপ সুবিধাবঞ্চিত শিশুগুলো সেচ্ছাসেবকদের সাথে গল্প করে, খেলে, একসাথে ড্রয়িং করে আনন্দমুখর সময় কাটায়, এমন সুযোগ এই বাচ্চাগুলো হয়তো সবসময় পায় না। পিসিপি উদযাপনের আসল উদ্দেশ্যই হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকে বছরের সেরা একটি দিন উপহার দেওয়া। সেচ্ছাসেবকদের জন্যও এইদিন আনন্দের। শিশুদের সাথে সময় কাটানো ও তাদের দেখাশোনা করার মাধ্যমে প্রতিটি সেচ্ছসেবকই আরও দায়িত্ববান হয়ে ওঠেন এবং সেই সঙ্গে তারা সুবিধাবঞ্চিত এইসব শিশুদের কষ্ট একটু হলেও অনুধাবন করতে পারেন যা ভবিষ্যৎ-এ তাদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

ইয়ুথ ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফাউন্ডেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন এই সংগঠন শিশুদের জন্যে ইফতার, ঈদের প্রয়োজনীয় নিত্যসামগ্রী, ঈদের নতুন কাপড় প্রদান করে। এ ছাড়াও আনন্দ বিনোদন, ফ্রি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে শিশুদের প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করে।

সার্বিক সহযোগিতায় এই অনুষ্টানের সাথে সংযুক্ত ছিল চিসর এন্ড রেজরস স্পেশাল পার্টনার, অল-টাইম, বিস্ক ক্লাব স্টল পার্টনার, আর্টল্যান্ড ফটোগ্রাফি পার্টনার, কুলসন ও সিজল স্মাইল পার্টনার।

সংগঠনের প্রধান আহবায়ক ও প্রেসিডেন্ট তাহমিদ কামাল চৌধুরীর নেতৃত্বে, ভাইস প্রেসিডেন্ট রাকিব হাসান, চট্টগ্রাম শাখার প্রেসিডেন্ট মো. শরীফ সরোয়ার, কোষাধ্যক্ষ নাভিদ করিম, জেনারেল সেক্রেটারি আদনান আলী, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সাবিহা নাসরীন ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দের সা্র্বিক পরিচালনায় এবং প্রায় ২৫০ জন ভলান্টিয়ারদের অংশগ্রহণে এই মহান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য এই ২৮ তারিখে, আমরা একই দিনে বিশ্ব মাসিক দিবস উদযাপন করেছি, সেই সাথে বাংলাদেশের প্রথম এন্টিমাইক্রোবিয়াল প্রযুক্তি সম্পন্ন পুর্ন-ব্যাবহারযোগ্য স্যানিটারি প্যাড ‘সেফপ্যাড’ উম্মোচন করেছি।