সাম্প্রতিক
ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করতে এক শিক্ষকের নানান ফাঁদ!

ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করতে এক শিক্ষকের নানান ফাঁদ!

ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করতে এক শিক্ষকের নানান ফাঁদ!

ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করতে এক শিক্ষকের নানান ফাঁদ!

চাঁদপুর সরকারি কলেজের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান ফাঁদ পেতে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ওই শিক্ষক।

ভুক্তভোগী ছাত্রীদের অভিযোগে জানা গেছে, ওই শিক্ষক ছাত্রীদের ফোনে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব পাঠানো, ছাত্রীদের সঙ্গে অন্যের ছবি সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করা, প্রতারণার মাধ্যমে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে কফি খাওয়ানোর নাম করে বিয়ার খাইয়ে মাতাল করা এবং নানাভাবে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মুসলিম সরদার মিশু। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তিনি। একই বিভাগের বেশ কয়েকজন ছাত্রী গত ১১ ফেব্রুয়ারি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

কলেজ অধ্যক্ষ অভিযোগের প্রেক্ষিতে অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আয়শা আক্তারকে প্রধান করে এবং সহযোগী অধ্যাপক সুশীল কুমার সাহা ও শেখ মো. খলিলুর রহমানকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

এদিকে অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে ছাত্রীদের প্ররোচিত করেছেন একই কলেজের শিক্ষক মেহেদী হাসান- এমন ধারণা থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে মুসলিম সরদার মিশুর বিরুদ্ধে।

শিক্ষক মেহেদী হাসান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রোববার চাঁদপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন (নং ৯৯৮)।

কলেজ অধ্যক্ষ ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন ছাত্রীদের লিখিত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন এবং তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ওয়ালি উল্লাহ অলি শিক্ষক কর্তৃক আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করছেন বলে জানান।

যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক মুসলিম সরদার মিশু বলেন, ‘বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন আছে তাই আমি কিছু বলতে চাই না। তবে সোমবার জেলা ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ অধ্যক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে বসেছেন, তারাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বাহার বলেন, ‘ছাত্রীরা সচরাচর কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে চায় না। তারপরও যদি এ ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে ওই শিক্ষকের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।’