সাম্প্রতিক

কামারুজ্জামানকে নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ‘অবদান এবং সর্বোচ্চ ত্যাগের’ কথা স্মরণ দলটির আমীর মকবুল আহমাদ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। তার এই দণ্ডের বিরুদ্ধে দেশ ও বিদেশ থেকে ব্যাপক প্রতিবাদ জানানো হয়। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং বিভিন্ন দেশ ও মানবাধিকার সংস্থা তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আহবান জানায়। সরকার তা অগ্রাহ্য করে ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মুহাম্মাদ কামারুজ্জামান একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি লেখক, সাংবাদিক ও গবেষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গিয়েছেন। তিনি অনেকগুলো গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার রচিত গ্রন্থ ও প্রবন্ধসমূহ যুগযুগ ধরে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী ও দেশের জনগণকে অনুপ্রাণিত করবে।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘তিনি জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অন্যায়, অসত্য ও মিথ্যার বিরুদ্ধে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম করে গিয়েছেন। তিনি সরকারের ষড়যন্ত্রের নিকট মাথা নত করেননি। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেছেন, “প্রাণের মালিক আল্লাহ। সুতরাং তিনি ছাড়া আর কারো কাছে মাথা নত করার প্রশ্নই আসে না।” আমি তার শাহাদাত কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি এবং দেশবাসীকে তার রেখে যাওয়া ইসলামী আন্দোলনে শরীক হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।’