সাম্প্রতিক

আলমডাঙ্গা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণী’র মোকাবেলায় ২২০টি আশ্রয় কেন্দ্র

আলমডাঙ্গা উপজেলায় ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বেলা ১টার পর থেকে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে শুরু হয়। ঘূর্ণিঝড় ফণী’র মোকাবেলা করতে আলমডাঙ্গা উপজেলায় ২২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপজেলার ১৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, পাকা দালান ও মসজিদ। এপর্যন্ত আলমডাঙ্গা সরকারী ডিগ্রী কলেজ, ফরিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাসকররা কলেজ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, তিওরবিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৭হাজার ৩শ পয়তাল্লিশ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান জানিয়েছেন, ২২০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৭ হাজার ৩শ ৪৫জন আশ্রয় নিয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলায় খোলা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলার জন্য কন্টোল রুম। এছাড়া প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম পুলিশ স্ব-স্ব আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের দেখাশোনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা স্কাউট, কলেজ রোভার স্কাউট, আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলা করা জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান মুন্সি থানার সকল অফিসার ফোর্সসহ সকল ক্যাম্প পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলেছেন।
৩ মে শুক্রবার রাতে আলমডাঙ্গা সরকারী কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, আলমডাঙ্গা ক্যানেলপাড়ার প্রায় ৩০/৪০জন মানুষ কলেজের নতুন ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষদের কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কৃষিবীদ গোলাম সরোয়ার মিঠু, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোনায়েম, সংশ্লিষ্ঠ ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম স্বপনসহ একটি টিম তাদেরকে বিস্টুক ও পানির ব্যবস্থা করেছে। এছাড়ার কলেজে শিক্ষক রোভার স্কাইটের আরএসএল সাঈদ মোহাম্মদ হিরন ১০ জনের একটি রোভার স্কাউটের টিম নিয়ে অবস্থান করছে।