সাম্প্রতিক
আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত
আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনাসভা, কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন পরিষদ।
আলোচনা সভায় রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম জয়ন্তী উদযাপন পরিষদের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ নুর মোহাম্মদ জকুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। প্রধান আলোচন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, আলমডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কৃষিবিদ গোলাম সরোয়ার মিঠু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওয়ামীলীগ নেতা লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, হাটবোয়ালিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী মাষ্টার, ফাষ্ট ক্যাপিট্যাল ইউনিভার্সিটির লেকচারার আমিরুল ইসলাম জয়, আলমডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহ আলম মন্টু, সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম, সিনিয়র সহসভাপতি আতিয়ার রহমান মুকুল, সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অমর আলী মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম. সিরাজ শামজী। কবির স্মৃতি চারণ করে প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব কলেজিয়েট স্কুলের উপাধ্যক্ষ শামীম রেজা। এ সময় বক্তারা বলেন, বাঙ্গালী জাতির আত্মপরিচয় ঘটিয়েছেন কাজী নজরুল ইসলাম। নজরুল ইসলাম শুধু আমাদের জাতীয় কবি নন, তার উদ্দীপক-সন্দীপন কবিতা ও গানে অনুপ্রাণীত হয়েছিল ব্রিটিশ বিরোধি দেশপ্রেমিক আন্দোলনকারিরা, ৪৭ সালের দেশবিভাগ, ’৭১ সালে মুক্তিকামি মুক্তিযোদ্ধারা। প্রাক্তন পূর্ব পাকিস্থান ও বর্তমান স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশ এই দুই বিরোধি আদর্শের রাষ্ট্রের মানুষ পেয়েছে তার রচনায় তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রের উপকরণ। প্রকৃত অর্থেই তিনি দশ আয়তনবান, তাঁর এক একটি আয়তন নিয়ে এক একটি জনগোষ্ঠি মুগ্ধ থাকতে পারে। তিনিই প্রকৃত অর্থে একজন সফল উত্তররৈবিক কবি। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশাতেই তিনি নতুন যুগ সৃষ্টি করেছেন, নেহায়েত অল্প বয়সেই তাঁকে সেই স্বীকৃতিও দিয়েছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথের পরে তিনি বাংলা করিতায় সম্পূর্ণ নতুন এক দেশ জয় করে এনেছিলেন। আমাদের জাতীয় জীবনে এই মহান কবির আদর্শ ও স্বপ্ন প্রতিফলিত করতে সক্ষম হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি সফল ও সন্মানিত জাতি হিসেবে আমাদের স্বীকৃতি মিলবে বলে বক্তারা মন্তব্য করেন। হারদী এমএস জোহা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক কেএম ফারুকের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন আল-ইকরা ক্যাডেট একাডেমীর অধ্যক্ষ আব্দুল হাই, ডাঃ অমল কুমার বিশ্বাস, আমজাদ আলী, জামিরুল ইসলাম, ডাঃ কাজল প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাও. মাসুদ কামাল প্রমুখ।